ঢাকা , শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়ে বাবর বলেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মাদক নির্মূল ও বেকার সমস্যা দূর করবেন।  সৌদি-কাতারি প্যানেল অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থ অর্জনের জন্য যৌথ সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছে। রাজধানী ঢাকার  জাতীয় চিড়িয়াখানায় হঠাৎ খাঁচা ছেড়ে বেরিয়ে এলো সিংহ,  তেলিগাতী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ভোরে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হবে  বিএনপি’র ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা: সুনামগঞ্জ-২ এ নাছির, সুনামগঞ্জ-৪ এ নূরুল  টেকনাফে শাহপুরীর দ্বীপে সাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে গোলার চরে আটকে পড়া সেন্টমার্টিনগামী সার্ভিস বোটের ৪৫ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। দেশনেত্রীর সুস্থতার প্রার্থনায় ধর্মপাশায় বিএনপির বিশাল দোয়া মাহফিল আটপাড়ায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে জনপ্রতিনিধি–কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পূর্বধলায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

গুইমারায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়া পাড়ায় হাজ্বী ইসমাইল মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে ১৯টি দোকান। শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত দুইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ মার্কেটের একটি অংশ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে গোটা বাজারজুড়ে শুরু হয় চিৎকার-চেঁচামেচি। চোখের পলকে আগুনে ভস্মীভূত হয় ব্যবসায়ীদের বছরের পর বছর পরিশ্রমের ফসল, জীবনের সঞ্চয় আর স্বপ্ন।

গুইমারা উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় রামগড় ও মাটিরাঙ্গা থেকে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লাগে। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘ সময় লাগে। পরে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

 

ফায়ার সার্ভিস ও দোকানমালিকদের প্রাথমিক ধারণা, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে বাজারের একটি গাড়ির ওয়ার্কশপ, কয়েল কিংবা সিগারেটের আগুন থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে ছিল তেলের দোকান, মোটর গ্যারেজ, হোটেল, ফার্নিচার ও কনফেকশনারি।

 

ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা হতে পারে।

 

ঘটনার খবর পেয়ে সিন্দুকছড়ি সেনা জোন অধিনায়ক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, “সৌভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।”

 

পাহাড়ের বর্তমান সংবেদনশীল পরিস্থিতির মধ্যে গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়ে বাবর বলেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মাদক নির্মূল ও বেকার সমস্যা দূর করবেন। 

গুইমারায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই

আপডেট টাইমঃ ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়া পাড়ায় হাজ্বী ইসমাইল মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে ১৯টি দোকান। শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত দুইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ মার্কেটের একটি অংশ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে গোটা বাজারজুড়ে শুরু হয় চিৎকার-চেঁচামেচি। চোখের পলকে আগুনে ভস্মীভূত হয় ব্যবসায়ীদের বছরের পর বছর পরিশ্রমের ফসল, জীবনের সঞ্চয় আর স্বপ্ন।

গুইমারা উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় রামগড় ও মাটিরাঙ্গা থেকে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লাগে। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘ সময় লাগে। পরে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

 

ফায়ার সার্ভিস ও দোকানমালিকদের প্রাথমিক ধারণা, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে বাজারের একটি গাড়ির ওয়ার্কশপ, কয়েল কিংবা সিগারেটের আগুন থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে ছিল তেলের দোকান, মোটর গ্যারেজ, হোটেল, ফার্নিচার ও কনফেকশনারি।

 

ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা হতে পারে।

 

ঘটনার খবর পেয়ে সিন্দুকছড়ি সেনা জোন অধিনায়ক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, “সৌভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।”

 

পাহাড়ের বর্তমান সংবেদনশীল পরিস্থিতির মধ্যে গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।