ঢাকা , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
খাগড়াছড়িতে সুশীল সমাজ ও জনগণের মানববন্ধন  ‘দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে’, মন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবি। সৌদি আরব এক সপ্তাহে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারী ৭,৭৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কলমাকান্দায় ৫ বছর পর সচল কলমাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সোলার প্যানেল উদ্বোধন  বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ বাহিনী, কর্মচারী ইউনিয়নের, কক্সবাজার জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিনুল হক, দফাদার। দিরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ইটভাটার ম্যানেজার নিহত মদনে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক কমিটি গঠন: অলক আহ্বায়ক, রামানন্দ সদস্য সচিব। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বাজার মনিটরিংয়ে আটপাড়া প্রশাসনের বিশেষ অভিযান মদনে টানা তৃতীয়বার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হলেন  ফাতেমা আক্তার। গফরগাঁওয়ে ফসলি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে প্রভাবশালী মহল: বাধা দেওয়ায় কৃষকদের হুমকি মদন মহিউদ্দিন মার্কেটে ক্যাশ বক্স ভেঙে দিনের বেলা চুরি। 

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে চাঁদা না দেওয়ার আহ্বান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদের

  • অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইমঃ ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৯৫ বার

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর চাঁদাবাজি বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, “এই চাঁদার অর্থ ব্যবহার করে সশস্ত্র সংগঠনগুলো ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অস্ত্র কিনছে, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।”

 

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর ) সকাল ১০টায় খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সভায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও আধিপত্যের রাজনীতির মাধ্যমে পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে। তারা পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। এই পরিস্থিতি কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “চাঁদাবাজির কারণে পার্বত্য এলাকার অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে। তাই এখনই সময় একসঙ্গে দাঁড়িয়ে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।”

 

রিজিয়ন কমান্ডার ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কেউ যেন ভয় বা প্রলোভনে পড়ে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কাছে চাঁদা না দেন। যদি কেউ চাঁদা দাবি করে, তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে জানান। আমরা আপনাদের পাশে আছি, সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”

 

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার ঠিকাদার, ব্যাবসায়ী ও সাংবাদিক বৃন্দ। তাঁরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “চাঁদাবাজির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ পাহাড়ের মানুষকে নতুন করে সাহস জোগাবে।”

 

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং সেনাবাহিনীর প্রতি তাদের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে সুশীল সমাজ ও জনগণের মানববন্ধন  ‘দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে’, মন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবি।

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে চাঁদা না দেওয়ার আহ্বান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদের

আপডেট টাইমঃ ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর চাঁদাবাজি বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, “এই চাঁদার অর্থ ব্যবহার করে সশস্ত্র সংগঠনগুলো ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অস্ত্র কিনছে, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।”

 

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর ) সকাল ১০টায় খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সভায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও আধিপত্যের রাজনীতির মাধ্যমে পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে। তারা পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। এই পরিস্থিতি কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “চাঁদাবাজির কারণে পার্বত্য এলাকার অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে। তাই এখনই সময় একসঙ্গে দাঁড়িয়ে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।”

 

রিজিয়ন কমান্ডার ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কেউ যেন ভয় বা প্রলোভনে পড়ে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কাছে চাঁদা না দেন। যদি কেউ চাঁদা দাবি করে, তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে জানান। আমরা আপনাদের পাশে আছি, সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”

 

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার ঠিকাদার, ব্যাবসায়ী ও সাংবাদিক বৃন্দ। তাঁরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “চাঁদাবাজির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ পাহাড়ের মানুষকে নতুন করে সাহস জোগাবে।”

 

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং সেনাবাহিনীর প্রতি তাদের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।