ঢাকা , সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে, ১৫শত পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক ৩০ বছর পর যে আসন পুনরুদ্ধার করল বিএনপি ( ময়মনসিংহ ১০ গফরগাঁও আসন) ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৬ (বাঞ্ছারামপুর) বিপুল ভোটে বিজয়ী হলেন জোনায়েদ সাকি। ময়মনসিংহ ১১ভালুকা সংসদীয় আসনে জামানত হারালেন দুই প্রার্থী।  নেত্রকোণা-৫ আসনের ফল বাতিল ও পুনর্গণনার দাবিতে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ময়মনসিংহ ১০ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী কে ফুলের শুভেচ্ছা।  এমপি নির্বাচিত হয়েই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাসায় ফুল নিয়ে গেলেন জামায়াতের মাসুদ সাঈদী বাগেরহাট-২ আসনে বিজয়ের দারপ্রান্তে শেখ মনজুরুল হক রাহাদ  মদনে ওসির বাসায় ডাকাতি দস্যুতার মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার। ময়মনসিংহে বিএনপি-৮ জামায়াত-২ ও ১টিতে স্বতন্ত্র বিজয়ী হয়েছেন

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে চাঁদা না দেওয়ার আহ্বান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদের

  • অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইমঃ ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৩২ বার

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর চাঁদাবাজি বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, “এই চাঁদার অর্থ ব্যবহার করে সশস্ত্র সংগঠনগুলো ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অস্ত্র কিনছে, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।”

 

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর ) সকাল ১০টায় খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সভায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও আধিপত্যের রাজনীতির মাধ্যমে পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে। তারা পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। এই পরিস্থিতি কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “চাঁদাবাজির কারণে পার্বত্য এলাকার অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে। তাই এখনই সময় একসঙ্গে দাঁড়িয়ে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।”

 

রিজিয়ন কমান্ডার ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কেউ যেন ভয় বা প্রলোভনে পড়ে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কাছে চাঁদা না দেন। যদি কেউ চাঁদা দাবি করে, তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে জানান। আমরা আপনাদের পাশে আছি, সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”

 

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার ঠিকাদার, ব্যাবসায়ী ও সাংবাদিক বৃন্দ। তাঁরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “চাঁদাবাজির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ পাহাড়ের মানুষকে নতুন করে সাহস জোগাবে।”

 

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং সেনাবাহিনীর প্রতি তাদের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে, ১৫শত পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে চাঁদা না দেওয়ার আহ্বান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদের

আপডেট টাইমঃ ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর চাঁদাবাজি বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, “এই চাঁদার অর্থ ব্যবহার করে সশস্ত্র সংগঠনগুলো ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অস্ত্র কিনছে, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।”

 

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর ) সকাল ১০টায় খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সভায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও আধিপত্যের রাজনীতির মাধ্যমে পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে। তারা পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। এই পরিস্থিতি কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “চাঁদাবাজির কারণে পার্বত্য এলাকার অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে। তাই এখনই সময় একসঙ্গে দাঁড়িয়ে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।”

 

রিজিয়ন কমান্ডার ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কেউ যেন ভয় বা প্রলোভনে পড়ে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কাছে চাঁদা না দেন। যদি কেউ চাঁদা দাবি করে, তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে জানান। আমরা আপনাদের পাশে আছি, সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”

 

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার ঠিকাদার, ব্যাবসায়ী ও সাংবাদিক বৃন্দ। তাঁরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “চাঁদাবাজির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ পাহাড়ের মানুষকে নতুন করে সাহস জোগাবে।”

 

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং সেনাবাহিনীর প্রতি তাদের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।