ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাত পোহালেই জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রে -কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম গাজীপুরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে বাস চালক ও সহকারীদের আটক, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে ৯ম জাতীয় পে-স্কেল: ভোটের রাজনীতিতে মানুষের বেতন: সংসদ নির্বাচন: ২৪ ঘণ্টা যেসব যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি দুর্গম পাহাড়ে হেলিকপ্টারে ভোটের সরঞ্জাম: খাগড়াছড়িতে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ উদ্যোগ পানছড়িতে ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের আহবানে বিএনপির শেষ নির্বাচনী মিছিল পিরোজপুর -১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় নেতাকর্মীদের ঢল মদনে গণজোয়ারে ভাসছেন জামায়াত প্রার্থী আল হেলাল। গফরগাঁওয়ে হাসঁ মার্কার প্রচারণায় ১০নং উস্থি ইউনিয়নে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।  বাগমারায় ধানের শীষ বিজয়ের লক্ষ্যে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

ধর্মপাশার ফাতেমানগরে দীর্ঘদিনের অসামাজিক আসর ভাঙলো, পুলিশ- পুরুষ ও নারীসহ চারজন আটক।

  • অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইমঃ ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩১ বার

শাহ মো. মনির হোসেন, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

 

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ফাতেমানগর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলা মাদক সেবন ও নারী জড়িত অসামাজিক কার্যকলাপের আসর থেকে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভির রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাতেমানগর গ্রামের কিছুদিন ধরে রাতভর মাদক সেবন ও নারীসহ ফুর্তির আসর বসানো হচ্ছিল। বিষয়টি এলাকায় ক্ষোভ সৃষ্টি করলেও প্রভাবশালী যুক্ত থাকার শঙ্কায় কেউ প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে সাহস পাননি।

পুলিশ জানায়, রাতের অভিযান চলাকালে ফাতেমানগর গ্রাম থেকেই চারজনকে আটক করা হয়। আটক কারীরা হলেন – ফাতেমানগর গ্রামের মৃত-একে এম লুৎফর রহমান ছেলে একে এম জিল্লুর রহমান জানু (৪২),

দৌলতপুর গ্রামের মৃত হেলিম মিয়া ছেলে মোঃ ফাহিম মিয়া (৩৩), উভয় থানা – ধর্মপাশা। বারহাট্টা থানাধীন কর্ণপুর গ্রামের আজগর আলী মেয়ে এবং রাজুরবাজার গ্রামের হৃদয় মিয়ার গৃহবধূ খুকুমণি(২৪), গলাচিপা থানাধীন গুয়াবাড়িয়া লাভলা( মোলাবাড়ী) গ্রামের শামছু মোল্লা র মেয়ে কার্নিজ ফাতেমা ওরফে মায়া(৩০) আটকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি নেমে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই ধরনের অভিযানে গ্রামের পরিবেশ স্বাভাবিক থাকবে এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ধর্মপাশা থানার মামলা এজাহারে সূত্রে তথ্য পাওয়া যায় যে- পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ পূর্বক এই প্রতিবেদন দাখিল করিতেছি যে, ধর্মপাশা থানার জিডি নং-১৪৯,তারিখ-০৫/১২/২০২৫খ্রিঃ মূলে সঙ্গীয় কং/৩৩৫ গাজিউল হুদা শামীম ও কং/৯০৬ মোঃ জাহেদ আহম্মদ সহ থানা এলাকায় দিবাকালীন মোবাইল ডিউটি করাকালীন ধর্মপাশা থানার ডিউটি অফিসার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানান যে, অত্র থানাধীন ফাতেমা নগর সাকিনে জনসাধারণ মহিলাসহ ০৪ জন লোককে আটক করিয়া রাখিয়াছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। উক্ত সংবাদের বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিয়া সঙ্গীয় ফোর্স সহ ০৫/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ০৮.১০ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থল ধর্মপাশা থানাধীন ফাতেমা নগর সাকিনে উপস্থিত হইয়া জানিতে পারি ১ নং আসামী বাড়ির মালিক ৩ নং আসামী ভাড়াটিয়া অন্য আসামীগণ ৩ নং আসামীর সহযোগী অদ্য রাত অনুমান ৪.৩০ ঘটিকার সময় ১ নং আসামীর ঘরে ঝগড়া বিবাদ করিয়া মারমূখী ও উসশৃঙ্খল আচারণ করার সময় এলাকার জনসাধারণ তাহাদেরকে আটক করেন। উপস্থিত কয়েকজনের সাক্ষী অনুযায়ী- জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উক্ত আসামীগণ এলাকার উশৃঙ্খল প্রকৃতির লোক ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের সহিত জড়িত। অদ্য ০৫/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ ভোর অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার সময় আসামীগণ মারামারি করিয়া বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কালে স্থানীয় জনসাধারণ তাহাদেরকে আটক করে থানায় সংবাদ দেন। তাহারা মারমূখি আচারণ করিয়া এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিয়া, তাহাদের এহেন কার্যাকলাপ তথা আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণ কল্পে তাৎক্ষণিক তাহাদেরকে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫১ ধারা মোতাবেক গ্রেফতার করিয়া নিজ হেফাজতে নিই এবং সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া তাহাদের শারীরিক চিকিৎসা প্রদান করাই। তাহাদেরকে তৎক্ষণিক আটক না করিলে মারদাঙ্গা সহ আইনশৃঙ্খলা বিঘন্ন হওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান ছিল। আসামীদের সঠিক নাম ঠিকানা যাচাই বাচাই সহ বিস্তারিত তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত আসামীকে জেল হাজতে আটক রাখা প্রয়োজন। থানার সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা যায় উক্ত আসামী কার্নিজ ফাতেমা মায়া ডিএমপি এর দারুস সালাম থানার এফআইআর নং-২৯, তারিখ ২৫ জানুয়ারী ২০২২ ইং, ধারা ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ১২ এর এজাহারে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

রাত পোহালেই জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রে -কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম

ধর্মপাশার ফাতেমানগরে দীর্ঘদিনের অসামাজিক আসর ভাঙলো, পুলিশ- পুরুষ ও নারীসহ চারজন আটক।

আপডেট টাইমঃ ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

শাহ মো. মনির হোসেন, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

 

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ফাতেমানগর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলা মাদক সেবন ও নারী জড়িত অসামাজিক কার্যকলাপের আসর থেকে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভির রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাতেমানগর গ্রামের কিছুদিন ধরে রাতভর মাদক সেবন ও নারীসহ ফুর্তির আসর বসানো হচ্ছিল। বিষয়টি এলাকায় ক্ষোভ সৃষ্টি করলেও প্রভাবশালী যুক্ত থাকার শঙ্কায় কেউ প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে সাহস পাননি।

পুলিশ জানায়, রাতের অভিযান চলাকালে ফাতেমানগর গ্রাম থেকেই চারজনকে আটক করা হয়। আটক কারীরা হলেন – ফাতেমানগর গ্রামের মৃত-একে এম লুৎফর রহমান ছেলে একে এম জিল্লুর রহমান জানু (৪২),

দৌলতপুর গ্রামের মৃত হেলিম মিয়া ছেলে মোঃ ফাহিম মিয়া (৩৩), উভয় থানা – ধর্মপাশা। বারহাট্টা থানাধীন কর্ণপুর গ্রামের আজগর আলী মেয়ে এবং রাজুরবাজার গ্রামের হৃদয় মিয়ার গৃহবধূ খুকুমণি(২৪), গলাচিপা থানাধীন গুয়াবাড়িয়া লাভলা( মোলাবাড়ী) গ্রামের শামছু মোল্লা র মেয়ে কার্নিজ ফাতেমা ওরফে মায়া(৩০) আটকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি নেমে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই ধরনের অভিযানে গ্রামের পরিবেশ স্বাভাবিক থাকবে এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ধর্মপাশা থানার মামলা এজাহারে সূত্রে তথ্য পাওয়া যায় যে- পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ পূর্বক এই প্রতিবেদন দাখিল করিতেছি যে, ধর্মপাশা থানার জিডি নং-১৪৯,তারিখ-০৫/১২/২০২৫খ্রিঃ মূলে সঙ্গীয় কং/৩৩৫ গাজিউল হুদা শামীম ও কং/৯০৬ মোঃ জাহেদ আহম্মদ সহ থানা এলাকায় দিবাকালীন মোবাইল ডিউটি করাকালীন ধর্মপাশা থানার ডিউটি অফিসার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানান যে, অত্র থানাধীন ফাতেমা নগর সাকিনে জনসাধারণ মহিলাসহ ০৪ জন লোককে আটক করিয়া রাখিয়াছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। উক্ত সংবাদের বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিয়া সঙ্গীয় ফোর্স সহ ০৫/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ০৮.১০ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থল ধর্মপাশা থানাধীন ফাতেমা নগর সাকিনে উপস্থিত হইয়া জানিতে পারি ১ নং আসামী বাড়ির মালিক ৩ নং আসামী ভাড়াটিয়া অন্য আসামীগণ ৩ নং আসামীর সহযোগী অদ্য রাত অনুমান ৪.৩০ ঘটিকার সময় ১ নং আসামীর ঘরে ঝগড়া বিবাদ করিয়া মারমূখী ও উসশৃঙ্খল আচারণ করার সময় এলাকার জনসাধারণ তাহাদেরকে আটক করেন। উপস্থিত কয়েকজনের সাক্ষী অনুযায়ী- জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উক্ত আসামীগণ এলাকার উশৃঙ্খল প্রকৃতির লোক ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের সহিত জড়িত। অদ্য ০৫/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ ভোর অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার সময় আসামীগণ মারামারি করিয়া বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কালে স্থানীয় জনসাধারণ তাহাদেরকে আটক করে থানায় সংবাদ দেন। তাহারা মারমূখি আচারণ করিয়া এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিয়া, তাহাদের এহেন কার্যাকলাপ তথা আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণ কল্পে তাৎক্ষণিক তাহাদেরকে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫১ ধারা মোতাবেক গ্রেফতার করিয়া নিজ হেফাজতে নিই এবং সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া তাহাদের শারীরিক চিকিৎসা প্রদান করাই। তাহাদেরকে তৎক্ষণিক আটক না করিলে মারদাঙ্গা সহ আইনশৃঙ্খলা বিঘন্ন হওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান ছিল। আসামীদের সঠিক নাম ঠিকানা যাচাই বাচাই সহ বিস্তারিত তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত আসামীকে জেল হাজতে আটক রাখা প্রয়োজন। থানার সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা যায় উক্ত আসামী কার্নিজ ফাতেমা মায়া ডিএমপি এর দারুস সালাম থানার এফআইআর নং-২৯, তারিখ ২৫ জানুয়ারী ২০২২ ইং, ধারা ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ১২ এর এজাহারে অভিযুক্ত করা হয়েছে।