ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সম্মিলিত মানবাধিকার জোট, নেত্রকোণা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা খাগড়াছড়ি জোনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে একদিনেই চিকিৎসা পেলেন পাঁচ শতাধিক মানুষ সরকারি ভর্তুকিতে ইউনিয়ন ভিত্তিক বরাদ্দকৃত হারভেস্টার ‘উধাও’! বারহাট্টায় কৃষকের বুকফাটা হাহাকার শখ থেকে স্বপ্নের ব্যবসা—ব্যাংক কর্মকর্তার হাতে আলোর নতুন রূপ ‘লোপাস ক্যান্ডেল স্টুডিও নেত্রকোনা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম শুরু শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা খাগড়াছড়িতে অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান, আটক ৩—কারাদণ্ড বীরগঞ্জে আদিবাসী খ্রিস্টান পল্লীতে হামলা: মন্দির ভাঙচুর ও জমি দখলচেষ্টায় গ্রেপ্তার ২ টেকনাফ উত্তর শীলখালী গহীন পাহাড়ে মিলল তিন জন যুবকের লাশ কক্সবাজার অ্যাম্বুলেন্সে করে ১০হাজার পিস ইয়াবা পাচারকালে স্বামী-স্ত্রী আটক

সেন্টমার্টিনে ২দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ১৮৫০ কেজি বর্জ্য অপসারণ করা হয়। 

  • অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইমঃ ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭৮ বার

শহীদুল ইসলাম শাহেদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সেন্টমার্টিন সৈকতে পরিচ্ছন্নতা

৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ শনিবার অভিযান চালিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ এর এইটি সেন্টমাটিনে ১৫ মত পরিচ্ছন্ন অভিযান।

 

 

 

দুই দিনব্যাপীযানটি শনিবার বিকেলে শেষ হয়। ইউনিলিভার বাংলাদেশের সহযোগিতায় এতে স্থানীয় লোকজনসহ বিভিন্ন পেশাজীবী এবং সেন্ট মার্টিনের

 

স্কুল-মাদরাসারশিক্ষার্থীসহপাঁচশতাধিকস্বেচ্ছাসেবএছন্ন

অভিযানে অংশ নেন।কেওক্রাডং বাংলাদেশের

 

মুনতাসির মামুন বলেন, দুই দিনব্যাপী সেন্ট মার্টিনেরঅলিগলিসবোতলপ্লাস্টিকপ্যাকেটসনানাধরনেঅপসংছে

 

আগেও সংগঠনটির উদ্যোগে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে এ ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়েছিল বলে জানান তিনি।

 

কেওক্রাডং বাংলাদেশেকে স্বাগত জানিয়ে সেন্ট মার্টিনের ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম বলেন সেন্ট মার্টিনকে পরিষ্কার রাখার জন্য ১৫ বছর ধরে এই কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। এই ভাবে সবাই এগিয়ে এসে নিজেদের দায়িত্ব পালন করলে সেন্ট মার্টিনের জন্য খুবই উপকারী হবে।

 

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি প্রতিবছরের মত এ বছরও সেন্ট মার্টিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে। যা সেন্ট মার্টিনের জন্য খুব উপকারী।

 

“প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য প্রতিবছর হাজারো পর্যটক এই দ্বীপে আসেন। স্থানীয় ও পর্যটকদের কারণে সৈকতে নানা ধরনের বর্জ্য জমা হয়ে থাকে। কেওক্রাডংয়ের মত সংস্থার প্রশংসনীয় উদ্যোগের কারণে দ্বীপের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে”, বলেন তিনি।

 

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মুনতাসির মামুন বলেন, সেন্টমাটিনে সারা বছর পযর্টক আসার সুযোগ দিলে ভালো হয়। তবে খুব সীমিত সংখ্যক পর্যটক আসতে দিতে হবে। এই ভাবে হলে বেশি পযটকের চাপ পড়বে না সেন্টমাটিনে।

 

আর সেন্ট মার্টিনের মতো ছোট দ্বীপে পড়ে থাকা প্লাস্টিক যদি মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসা না হয় তবে এর পরিণাম শুধু এই দ্বীপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। ছড়িয়ে পড়বে বঙ্গোপসাগরেও।

 

আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ছিল সামর্থ্য অনুযায়ী সেই পরিণামকে যতটা সম্ভব সীমিত করা, বলেন তিনি।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

সম্মিলিত মানবাধিকার জোট, নেত্রকোণা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

সেন্টমার্টিনে ২দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ১৮৫০ কেজি বর্জ্য অপসারণ করা হয়। 

আপডেট টাইমঃ ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

শহীদুল ইসলাম শাহেদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সেন্টমার্টিন সৈকতে পরিচ্ছন্নতা

৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ শনিবার অভিযান চালিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ এর এইটি সেন্টমাটিনে ১৫ মত পরিচ্ছন্ন অভিযান।

 

 

 

দুই দিনব্যাপীযানটি শনিবার বিকেলে শেষ হয়। ইউনিলিভার বাংলাদেশের সহযোগিতায় এতে স্থানীয় লোকজনসহ বিভিন্ন পেশাজীবী এবং সেন্ট মার্টিনের

 

স্কুল-মাদরাসারশিক্ষার্থীসহপাঁচশতাধিকস্বেচ্ছাসেবএছন্ন

অভিযানে অংশ নেন।কেওক্রাডং বাংলাদেশের

 

মুনতাসির মামুন বলেন, দুই দিনব্যাপী সেন্ট মার্টিনেরঅলিগলিসবোতলপ্লাস্টিকপ্যাকেটসনানাধরনেঅপসংছে

 

আগেও সংগঠনটির উদ্যোগে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে এ ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়েছিল বলে জানান তিনি।

 

কেওক্রাডং বাংলাদেশেকে স্বাগত জানিয়ে সেন্ট মার্টিনের ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম বলেন সেন্ট মার্টিনকে পরিষ্কার রাখার জন্য ১৫ বছর ধরে এই কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। এই ভাবে সবাই এগিয়ে এসে নিজেদের দায়িত্ব পালন করলে সেন্ট মার্টিনের জন্য খুবই উপকারী হবে।

 

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি প্রতিবছরের মত এ বছরও সেন্ট মার্টিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে। যা সেন্ট মার্টিনের জন্য খুব উপকারী।

 

“প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য প্রতিবছর হাজারো পর্যটক এই দ্বীপে আসেন। স্থানীয় ও পর্যটকদের কারণে সৈকতে নানা ধরনের বর্জ্য জমা হয়ে থাকে। কেওক্রাডংয়ের মত সংস্থার প্রশংসনীয় উদ্যোগের কারণে দ্বীপের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে”, বলেন তিনি।

 

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মুনতাসির মামুন বলেন, সেন্টমাটিনে সারা বছর পযর্টক আসার সুযোগ দিলে ভালো হয়। তবে খুব সীমিত সংখ্যক পর্যটক আসতে দিতে হবে। এই ভাবে হলে বেশি পযটকের চাপ পড়বে না সেন্টমাটিনে।

 

আর সেন্ট মার্টিনের মতো ছোট দ্বীপে পড়ে থাকা প্লাস্টিক যদি মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসা না হয় তবে এর পরিণাম শুধু এই দ্বীপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। ছড়িয়ে পড়বে বঙ্গোপসাগরেও।

 

আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ছিল সামর্থ্য অনুযায়ী সেই পরিণামকে যতটা সম্ভব সীমিত করা, বলেন তিনি।