ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সম্মিলিত মানবাধিকার জোট, নেত্রকোণা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা খাগড়াছড়ি জোনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে একদিনেই চিকিৎসা পেলেন পাঁচ শতাধিক মানুষ সরকারি ভর্তুকিতে ইউনিয়ন ভিত্তিক বরাদ্দকৃত হারভেস্টার ‘উধাও’! বারহাট্টায় কৃষকের বুকফাটা হাহাকার শখ থেকে স্বপ্নের ব্যবসা—ব্যাংক কর্মকর্তার হাতে আলোর নতুন রূপ ‘লোপাস ক্যান্ডেল স্টুডিও নেত্রকোনা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম শুরু শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা খাগড়াছড়িতে অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান, আটক ৩—কারাদণ্ড বীরগঞ্জে আদিবাসী খ্রিস্টান পল্লীতে হামলা: মন্দির ভাঙচুর ও জমি দখলচেষ্টায় গ্রেপ্তার ২ টেকনাফ উত্তর শীলখালী গহীন পাহাড়ে মিলল তিন জন যুবকের লাশ কক্সবাজার অ্যাম্বুলেন্সে করে ১০হাজার পিস ইয়াবা পাচারকালে স্বামী-স্ত্রী আটক

গফরগাঁওয়ে চাচি-ভাতিজার ‘অবৈধ সম্পর্ক’  টাকার বিনিময়ে ধামাচাপার অভিযোগে

রাকিবুল হাসান আহাদ, ক্রাইম রিপোর্টার

 

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের মহিরখারুয়া কোনাপাড়া গ্রামের চাচি উর্মি-ভাতিজা আনোয়ার হোসেনের মধ্যে কথিত অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় একটি মহল সাদা কাগজে জোরপূর্বক সাক্ষর নিয়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে আপস-মীমাংসা করেছে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মহিরখারুয়া গ্রামের প্রবাসী ছাবেদ মিয়ার স্ত্রী চাচি উর্মি আক্তার ও তার ভাতিজা ছাইদুল বেপারির সন্তান আনোয়ার হোসেনের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য দরবার বসানো হয়। দরবারে প্রভাবশালী ১০-১১ জন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মোস্তফা মন্ডল, মনছুর মেম্বার, মজিবুর রহমান, সুজন, রিপন মিয়া, রতন মিয়া, আজিজুল ইসলাম, আবুল হোসেন, আতাবউদ্দিন, মিন্টু বেপাড়ি ও আবদুল করিম সেক। ওরা ১১ জন দরবারের নামে সাদা কাগজে উভয়পক্ষের সাক্ষর নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দরবারে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে ঘটনাটি গোপন রাখার শর্তে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরে উভয় পক্ষের কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

 

ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, তাদেরকে সামাজিক চাপ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে এ ধরনের মীমাংসায় বাধ্য করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষ বিষয়টি ‘পারিবারিক’ বলে দাবি করে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

 

এদিকে সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের স্পর্শকাতর অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে টাকার বিনিময়ে আপস করা গুরুতর অন্যায় এবং ভবিষ্যতে আরও অপরাধ প্রবণতা বাড়াতে পারে।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনার সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। গফরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোস্তফা মন্ডলের ফোনে একাধিকবার বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হলে, ফোন নাম্বারটি বন্ধ করে রাখায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

সম্মিলিত মানবাধিকার জোট, নেত্রকোণা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

গফরগাঁওয়ে চাচি-ভাতিজার ‘অবৈধ সম্পর্ক’  টাকার বিনিময়ে ধামাচাপার অভিযোগে

আপডেট টাইমঃ ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

রাকিবুল হাসান আহাদ, ক্রাইম রিপোর্টার

 

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের মহিরখারুয়া কোনাপাড়া গ্রামের চাচি উর্মি-ভাতিজা আনোয়ার হোসেনের মধ্যে কথিত অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় একটি মহল সাদা কাগজে জোরপূর্বক সাক্ষর নিয়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে আপস-মীমাংসা করেছে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মহিরখারুয়া গ্রামের প্রবাসী ছাবেদ মিয়ার স্ত্রী চাচি উর্মি আক্তার ও তার ভাতিজা ছাইদুল বেপারির সন্তান আনোয়ার হোসেনের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য দরবার বসানো হয়। দরবারে প্রভাবশালী ১০-১১ জন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মোস্তফা মন্ডল, মনছুর মেম্বার, মজিবুর রহমান, সুজন, রিপন মিয়া, রতন মিয়া, আজিজুল ইসলাম, আবুল হোসেন, আতাবউদ্দিন, মিন্টু বেপাড়ি ও আবদুল করিম সেক। ওরা ১১ জন দরবারের নামে সাদা কাগজে উভয়পক্ষের সাক্ষর নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দরবারে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে ঘটনাটি গোপন রাখার শর্তে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরে উভয় পক্ষের কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

 

ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, তাদেরকে সামাজিক চাপ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে এ ধরনের মীমাংসায় বাধ্য করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষ বিষয়টি ‘পারিবারিক’ বলে দাবি করে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

 

এদিকে সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের স্পর্শকাতর অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে টাকার বিনিময়ে আপস করা গুরুতর অন্যায় এবং ভবিষ্যতে আরও অপরাধ প্রবণতা বাড়াতে পারে।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনার সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। গফরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোস্তফা মন্ডলের ফোনে একাধিকবার বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হলে, ফোন নাম্বারটি বন্ধ করে রাখায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি