ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরের শেষের দিকে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ছাত্রদল কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে উদ্বেগ, আবেগঘন পোস্টে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা” ময়মনসিংহ জিলা মটর মালিক সমিতি ভালুকা শাখার কমিটি অনুমোদন, সভাপতি মোঃ আতিকুল্লাহ পাঠান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ বিন মনির ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেয়েছেন নেত্রকোনা বারহাট্টা সন্তান রিফাত আরেফিন আপিল বিভাগে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, পুনর্বিবেচনার আশা আইনমন্ত্রীর পূর্বধলায় বকেয়া বিলের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন শীলখালী বিজিবি চেকপোস্ট তল্লাশি চালিয়ে ৪৪ বোতল মদসহ আটক ০১ উখিয়ার বালুখালীতে র‌্যাব-১৫ এর অভিযান ৫০ হাজার ইয়াবা ও সিএনজি জব্দ ফুলবাড়িয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ফ্লাইট যাত্রী; থানায় অভিযোগ   মদন ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

মদন ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

শেখ আসাদুজ্জামান মাসুদ, মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:

 

 

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় উপস্থিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়াটি মোয়াটী আখাঁশ্রী হাজী ওয়াহেদ আলী এতিমখানা দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা (২০০০) ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

 

মাদ্রাসাটি মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের বাড়াটি বাজারের পাশে অবস্থিত।

 

 

উক্ত মাদ্রাসা থেকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২শত ৭৮ জন হাফেজ হয়ে বের হয়ে গেছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে।বর্তমানে এই মাদ্রাসার হাফেজ ছাত্ররা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

বড়াটী-মোয়াটী-আঁখাশ্রী হাজী ওয়াহেদ আলী এতিমখানা ও দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা বর্তমানে অঞ্চলের এক অনন্য দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। একটি মনোরম ও শান্ত পরিবেশে বর্তমানে এখানে ১৪০ জন ছাত্র অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

 

 

প্রতিষ্ঠানটি কেবল একটি শিক্ষালয় নয়, বরং এটি এই অঞ্চলের সামাজিক ও ধর্মীয় জাগরণের মূলকেন্দ্রে অবস্থিত। এই মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে এর আশপাশেই গড়ে উঠেছে:

একটি সুদৃশ্য জামে মসজিদ যা স্থানীয় মুসল্লি ও ছাত্রদের ইবাদতের প্রধান কেন্দ্র।

একটি মহিলা মাদ্রাসা: যা নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

একটি স্থানীয় বাজার: যা এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক মেলবন্ধনের স্থান।

উপজেলার সমাজসেবা অর্থায়নে উক্ত মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়ে আসছে।

 

দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই মাদ্রাসাটি সুশীল সমাজে ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এর সুনাম ছড়িয়েছে।

 

 

আবাসিক ওই মাদ্রাসার কোমলমতি শিশুদের থাকার অত্যন্ত সুন্দর মনোরম পরিবেশে খাওয়া-দাওয়া সহ মনমুগ্ধকর পরিবেশের সুব্যবস্থা রয়েছে এই মাদ্রাসায়।

 

অত্র মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাওলানা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। অত্যন্ত মেধাবী গরিব ও এতিম অনেক ছাত্র রয়েছে এই মাদ্রাসায়।

 

নূরানী, নাজিরা, হিফজ ও কিতাব

বিভাগ পর্যন্ত এই মাদ্রাসাটি পড়ালেখা হয়।

(২০০০) ইং সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন মৃত সুলতান উদ্দিন।

 

প্রতি বছরের মতো এবছরও ৭ জন ছাত্র হাফেজ হয়ে বের হয়েছেন।

 

ছাত্রদের কাছ থেকে কোন অর্থ টাকা পয়সা নেওয়া হয় না, বিনা বেতনে পরিচালিত হচ্ছে এই মাদ্রাসাটি।

 

উক্ত মাদ্রাসার পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিনা বেতনে আমাদের এই মাদ্রাসার ছাত্রদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিনোদনসহ সকল পর্যায়ের সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

 

মাদ্রাসার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শাহজাহান জানান, ২০০৭ সাল থেকে এই মাদ্রাসার কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি ।

আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য আমি ছাত্রদের সুখ-দুঃখে অসুখ-বিসুখ হলে খবর নেই এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। আমি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সহিত এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মদন উপজেলা প্রশাসনের কাছে তিনি বিনীত অনুরোধ জানান। মাদ্রাসা যাতায়াতের রাস্তাটা পাকা করনের জন্য।

 

মাদরাসার সার্বিক উন্নতির জন্য দ্বীন দরদী মুসলমান ভাই-বোনদের নিকট দোয়া চেয়েছেন।

অত্র মাদ্রাসার সভাপতি।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরের শেষের দিকে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

মদন ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

আপডেট টাইমঃ ২৩ ঘন্টা আগে

শেখ আসাদুজ্জামান মাসুদ, মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:

 

 

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় উপস্থিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়াটি মোয়াটী আখাঁশ্রী হাজী ওয়াহেদ আলী এতিমখানা দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা (২০০০) ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

 

মাদ্রাসাটি মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের বাড়াটি বাজারের পাশে অবস্থিত।

 

 

উক্ত মাদ্রাসা থেকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২শত ৭৮ জন হাফেজ হয়ে বের হয়ে গেছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে।বর্তমানে এই মাদ্রাসার হাফেজ ছাত্ররা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

বড়াটী-মোয়াটী-আঁখাশ্রী হাজী ওয়াহেদ আলী এতিমখানা ও দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা বর্তমানে অঞ্চলের এক অনন্য দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। একটি মনোরম ও শান্ত পরিবেশে বর্তমানে এখানে ১৪০ জন ছাত্র অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

 

 

প্রতিষ্ঠানটি কেবল একটি শিক্ষালয় নয়, বরং এটি এই অঞ্চলের সামাজিক ও ধর্মীয় জাগরণের মূলকেন্দ্রে অবস্থিত। এই মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে এর আশপাশেই গড়ে উঠেছে:

একটি সুদৃশ্য জামে মসজিদ যা স্থানীয় মুসল্লি ও ছাত্রদের ইবাদতের প্রধান কেন্দ্র।

একটি মহিলা মাদ্রাসা: যা নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

একটি স্থানীয় বাজার: যা এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক মেলবন্ধনের স্থান।

উপজেলার সমাজসেবা অর্থায়নে উক্ত মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়ে আসছে।

 

দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই মাদ্রাসাটি সুশীল সমাজে ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এর সুনাম ছড়িয়েছে।

 

 

আবাসিক ওই মাদ্রাসার কোমলমতি শিশুদের থাকার অত্যন্ত সুন্দর মনোরম পরিবেশে খাওয়া-দাওয়া সহ মনমুগ্ধকর পরিবেশের সুব্যবস্থা রয়েছে এই মাদ্রাসায়।

 

অত্র মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাওলানা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। অত্যন্ত মেধাবী গরিব ও এতিম অনেক ছাত্র রয়েছে এই মাদ্রাসায়।

 

নূরানী, নাজিরা, হিফজ ও কিতাব

বিভাগ পর্যন্ত এই মাদ্রাসাটি পড়ালেখা হয়।

(২০০০) ইং সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন মৃত সুলতান উদ্দিন।

 

প্রতি বছরের মতো এবছরও ৭ জন ছাত্র হাফেজ হয়ে বের হয়েছেন।

 

ছাত্রদের কাছ থেকে কোন অর্থ টাকা পয়সা নেওয়া হয় না, বিনা বেতনে পরিচালিত হচ্ছে এই মাদ্রাসাটি।

 

উক্ত মাদ্রাসার পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিনা বেতনে আমাদের এই মাদ্রাসার ছাত্রদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিনোদনসহ সকল পর্যায়ের সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

 

মাদ্রাসার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শাহজাহান জানান, ২০০৭ সাল থেকে এই মাদ্রাসার কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি ।

আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য আমি ছাত্রদের সুখ-দুঃখে অসুখ-বিসুখ হলে খবর নেই এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। আমি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সহিত এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মদন উপজেলা প্রশাসনের কাছে তিনি বিনীত অনুরোধ জানান। মাদ্রাসা যাতায়াতের রাস্তাটা পাকা করনের জন্য।

 

মাদরাসার সার্বিক উন্নতির জন্য দ্বীন দরদী মুসলমান ভাই-বোনদের নিকট দোয়া চেয়েছেন।

অত্র মাদ্রাসার সভাপতি।