ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বীরগঞ্জে জমকালো বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু ময়মনসিংহর গফরগাঁওয়ে বিএনপি নেতা মুশফিকুর রহমানের ভাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি  বারহাট্টায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ উদযাপন। ২ নং চানগাঁও ইউনিয়ন বাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মদন উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন আর বেঁচে থাকার অবলম্বন। কুমিল্লায় ‘বন্ধুত্ব ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি’র নতুন জেলা কমিটি গঠন কেন্দুয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে আবু সাদেক ভুইয়ার প্রাণহানি। বীরগঞ্জে শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা প্রধান সম্মাননা পেলেন মাওলানা হযরত আলী শ্রীপুরে  শতাধিক আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যক্তি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে যোগদান মদনে টাকা ও অলংকার নিয়ে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী: থানায় অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ বারদী মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী বাবা লোকনাথ এর রাখের উপবাস’ও ঘৃত প্রদীপ প্রজ্জ্বলন।

  • অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইমঃ ১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪২ বার

সুমন চক্রবর্তী

 

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও বারদী মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী বাবা লোকনাথ এর রাখের উপবাস’ও ঘৃত প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হয়।

আজকের দিনটিতে সাধারণত ভক্তরা বাবা লোকনাথের মন্দিরে গিয়ে প্রদীপ ও ধুপ জ্বালিয়ে বাবা লোকনাথ এর কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তদের আগমনে এই ধাম মুখরিত হয় ।আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সকল রোগবালাই থেকে মুক্তি কামনায় বিশ্বে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছর কার্তিক মাসের শেষ ১৫ দিনের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার পালন করে ‘কার্তিক ব্রত’ বা ‘রাখের উপবাস পালিত হয়। অনেকে আবার ‘লোকনাথ বাবার উপবাস’ ও ‘ঘৃত প্রদীপ প্রজ্বলন’ উৎসব নামেও জানেন। হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের এই উৎসবের অন্যতম বড় কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম। প্রতিবছর এ উৎসব পালিত হয়। সারাদেশ থেকে দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা স্হান নিধারিত করে বসার জন্য প্রদীপ জ্বালিয়ে হাতে এখানে এসে বসেন নিজ আসনে, এদিন সাধারণত ভক্তরা লোকনাথের মন্দিরে গিয়ে প্রদীপ ও ধুপ জ্বালিয়ে শিব লোকনাথের শক্তি কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তদের আগমনে এই স্থান তীর্থস্থানে পরিণত হয়। আর চারদিকের ধুপের ধোঁয়া ও প্রদীপের আলোয় এক আত্ম বিশ্বাসের অনুভূতি হয় ভক্তদের মন প্রাণে, লোকনাথ বাবার জয়ধ্বনি মুখরিত হয়, প্রাণঘাতী রোগ মুক্তি কলেরা-বসন্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য কার্তিক মাসে উপবাস পালন এবং আশ্রম প্রাঙ্গণে ঘৃত প্রদীপ ও ধূপ-ধুনা জ্বালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বাবা লোকনাথ। সেই থেকে বিপদ-আপদ, রোগবালাই থেকে মুক্তি পেতে ও আপনজনের কল্যাণ কামনা করে লোকনাথ অনুসারী ও ভক্তরা পালন করে থাকেন ‘রাখের উপবাস’।

কার্তিক ব্রত কোন কোন স্থানে ‘লোকনাথ উপবাস’ নামেও পরিচিত এই ব্রত।প্রতিবছর কার্তিক মাসের শনিবার ও মঙ্গলবার ঘৃত প্রদীপ জ্বালিয়ে উৎসবের সমারোহ ঘটে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বীরগঞ্জে জমকালো বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু

নারায়ণগঞ্জ বারদী মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী বাবা লোকনাথ এর রাখের উপবাস’ও ঘৃত প্রদীপ প্রজ্জ্বলন।

আপডেট টাইমঃ ১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

সুমন চক্রবর্তী

 

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও বারদী মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী বাবা লোকনাথ এর রাখের উপবাস’ও ঘৃত প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হয়।

আজকের দিনটিতে সাধারণত ভক্তরা বাবা লোকনাথের মন্দিরে গিয়ে প্রদীপ ও ধুপ জ্বালিয়ে বাবা লোকনাথ এর কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তদের আগমনে এই ধাম মুখরিত হয় ।আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সকল রোগবালাই থেকে মুক্তি কামনায় বিশ্বে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছর কার্তিক মাসের শেষ ১৫ দিনের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার পালন করে ‘কার্তিক ব্রত’ বা ‘রাখের উপবাস পালিত হয়। অনেকে আবার ‘লোকনাথ বাবার উপবাস’ ও ‘ঘৃত প্রদীপ প্রজ্বলন’ উৎসব নামেও জানেন। হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের এই উৎসবের অন্যতম বড় কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম। প্রতিবছর এ উৎসব পালিত হয়। সারাদেশ থেকে দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা স্হান নিধারিত করে বসার জন্য প্রদীপ জ্বালিয়ে হাতে এখানে এসে বসেন নিজ আসনে, এদিন সাধারণত ভক্তরা লোকনাথের মন্দিরে গিয়ে প্রদীপ ও ধুপ জ্বালিয়ে শিব লোকনাথের শক্তি কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তদের আগমনে এই স্থান তীর্থস্থানে পরিণত হয়। আর চারদিকের ধুপের ধোঁয়া ও প্রদীপের আলোয় এক আত্ম বিশ্বাসের অনুভূতি হয় ভক্তদের মন প্রাণে, লোকনাথ বাবার জয়ধ্বনি মুখরিত হয়, প্রাণঘাতী রোগ মুক্তি কলেরা-বসন্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য কার্তিক মাসে উপবাস পালন এবং আশ্রম প্রাঙ্গণে ঘৃত প্রদীপ ও ধূপ-ধুনা জ্বালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বাবা লোকনাথ। সেই থেকে বিপদ-আপদ, রোগবালাই থেকে মুক্তি পেতে ও আপনজনের কল্যাণ কামনা করে লোকনাথ অনুসারী ও ভক্তরা পালন করে থাকেন ‘রাখের উপবাস’।

কার্তিক ব্রত কোন কোন স্থানে ‘লোকনাথ উপবাস’ নামেও পরিচিত এই ব্রত।প্রতিবছর কার্তিক মাসের শনিবার ও মঙ্গলবার ঘৃত প্রদীপ জ্বালিয়ে উৎসবের সমারোহ ঘটে।