ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সরকারি ডিউটি ফেলে ক্লিনিকে রোগী দেখছেন ডা. অদিত্য পোদ্দার টেকনাফে লেঙ্গুরবিল এলাকায় নৌবাহিনীর অভিযানে ৩৬০০ পিস ইয়াবাসহ ১টি প্রাইভেট কার জব্দ। টেকনাফে পুলিশের বিশেষ অভিযান: সাজা পরোয়ানার পলাতকসহ ২২ আসামী গ্রেফতার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বড় ডেইল এলাকায় কক্সবাজারগামী গাড়িতে আগুন। ইমামের মেয়ের ‘অপহরণ নাটক’ নাকি পরিকল্পিত বিভ্রান্তি? সত্য উদঘাটনে নতুন মোড় মদনে সঠিক সময়ে অফিসে আসেনি ৫ অফিসার মানছেনা সরকারি আদেশ। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কেন্দুয়া উপজেলা শাখার কমিটি আত্নপ্রকাশ, সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কাউসার তালুকদার   হ্নীলা এলাকায় কাজের প্রলোভনে অপহরণ, ৩ যুবক উদ্ধার  হরমুজ ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করলেন সৌদি ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক সজলের সম্মানের সাথে দাফন

মোঃ মুনিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার চাঁপাইনবাবগঞ্জ

 

সময় টেলিভিশনের সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নিজ গ্রাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাযায় অংশ নেন।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার মগবাজারে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর। তিনি ২০২৩ সালে নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলে অসুস্থ বোধ করলে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন সজল। সেখান থেকে অফিসে এসে দুপুরের খাবার খান। এরপর মগবাজারের বাসায় ফিরে যান। তবে চারতলার ফ্ল্যাটের গেট খুললেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। প্রতিবেশীরা তাকে সিঁড়িতেই পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেন, কিন্তু সজল আর ফেরেননি। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান।

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে পড়াশোনা করা সজল ২০১৩ সাল থেকে সময় টেলিভিশনের প্রযোজনা বিভাগে কাজ করতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়ে, বাবা-মাসহ অনেক আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী টাঙ্গাইলে একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। ঢাকায় সজল একাই থাকতেন।

 

মাজহারুল ইসলাম সজল লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহনপুরে থাকতে প্রথমে সাপ্তাহিক গৌড় সংবাদে উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর বেশকিছু প্রামাণ্য চিত্রও নির্মাণ করেন। পরে সময় টিভিতে কাজ শুরু করেন। মাঝে কিছুদিন সময় টিভির জেলা রিপোর্টার হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও কাজ করেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সরকারি ডিউটি ফেলে ক্লিনিকে রোগী দেখছেন ডা. অদিত্য পোদ্দার

সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক সজলের সম্মানের সাথে দাফন

আপডেট টাইমঃ ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ মুনিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার চাঁপাইনবাবগঞ্জ

 

সময় টেলিভিশনের সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নিজ গ্রাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাযায় অংশ নেন।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার মগবাজারে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর। তিনি ২০২৩ সালে নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলে অসুস্থ বোধ করলে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন সজল। সেখান থেকে অফিসে এসে দুপুরের খাবার খান। এরপর মগবাজারের বাসায় ফিরে যান। তবে চারতলার ফ্ল্যাটের গেট খুললেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। প্রতিবেশীরা তাকে সিঁড়িতেই পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেন, কিন্তু সজল আর ফেরেননি। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান।

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে পড়াশোনা করা সজল ২০১৩ সাল থেকে সময় টেলিভিশনের প্রযোজনা বিভাগে কাজ করতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়ে, বাবা-মাসহ অনেক আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী টাঙ্গাইলে একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। ঢাকায় সজল একাই থাকতেন।

 

মাজহারুল ইসলাম সজল লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহনপুরে থাকতে প্রথমে সাপ্তাহিক গৌড় সংবাদে উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর বেশকিছু প্রামাণ্য চিত্রও নির্মাণ করেন। পরে সময় টিভিতে কাজ শুরু করেন। মাঝে কিছুদিন সময় টিভির জেলা রিপোর্টার হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও কাজ করেন।