
সুৃমন চক্রবর্তী জেলা প্রতিনিধি,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গত রোববার আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় অংশ নিয়েছিলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা। পরদিন সোমবার কর্মস্থলে যান তিনি। সেখানে হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। এর পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চলে গেলেন না ফেরার দেশে।বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, গত সোমবার কর্মস্থলে অসুস্থবোধ করলে চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।তিনি আরও জানান, ফেরদৌস আরা মাইগ্রেনজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।
জানা যায়, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাদ আসর উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের খানেবাড়ি গ্রামে স্বামী শিক্ষক শাহজাহানের বাড়িতে তাকে দাফন করা হয়। বাদ জোহর ঢাকার ডেমরায় তার বাবার বাড়িতে শেখদী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নিহত ফেরদৌস আরা হ্যাপি ব্যক্তিগত জীবনে এক কন্যাসন্তানের জননী। স্বামী মো. শাহজাহান দাউদকান্দি উপজেলার চক্রতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।উল্লেখ্য, ফেরদৌস আরা ৩৬তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।ফেরদৌস আরার বাবার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার শেখদী এলাকায় এবং শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায়। তার অকাল মৃত্যুতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসনসহ জেলা প্রশাসন এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাব এর সকল সাংবাদিকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ এলাকাবাসী শোক প্রকাশ করেছে।

অনলাইন ডেস্কঃ 


















