ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পানছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উপর হামলা: প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল মদন উপজেলায় র‍্যালি ও আলোচনার মধ্য দিয়ে মে দিবস উদযাপন দেশজুড়ে মানবতার ফেরিওয়ালা ‘বন্ধুত্ব ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি’: জেলা-উপজেলায় রক্ত সংগ্রহে অনন্য দৃষ্টান্ত মরিচ্যা বিজিবির চেকপোস্টে ১০ হাজার ইয়াবাসহ নারী আটক মদনে আকস্মিক বন্যায় চোখের সামনেই তলিয়ে গেছে কৃষকের সোনালী ফসল বোরো ধান ময়মনসিংহে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে র‍্যাবের অভিযানে ২ জন আটক সৌদি আরব উপসাগরীয় নেতারা ক্ষেপণাস্ত্র আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থাকে সমর্থন জানিয়েছেন, হরমুজ বন্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন চিতলমারী উপজেলা বিএনপির কান্ডারী (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) আহসান হাবীব ঠান্ডু ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনকে ঘিরে অপপ্রচার: সংবাদ সম্মেলনে তীব্র প্রতিবাদ

ভেঙে পড়া ঘর, চোখে ছিল হতাশা যুবসমাজের উদ্যোগে ফিরল নতুন আশার আলো

ফাহিম উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার জিয়ানগর গ্রামের অসহায় দিনমজুর মো. সিরাজুল ইসলামের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল একটি ছোট মাটির ঘর। বহু কষ্টে নিজের ও স্ত্রীর পরিশ্রমে গড়া সেই ঘরটিই এক রাতে ভেঙে পড়ে। মুহূর্তেই ভেঙে যায় তাদের স্বপ্ন। তবে হতাশার সেই মুহূর্তে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেয় স্থানীয় যুবসমাজ। তাদের উদ্যোগে নতুন একটি টিনসেট ঘর পেয়ে আবারও আশার আলো দেখছে পরিবারটি।

 

 

জানা যায়, জিয়ানগর গ্রামের বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলাম পেশায় দিন হাজিরা শ্রমিক। সীমিত আয়ের কারণে বহু কষ্টে মাটির তৈরি একটি ছোট ঘর নির্মাণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু ভালো মাটি ও পর্যাপ্ত পানির অভাবে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ করেই ঘরটি ধসে পড়ে। এতে করে একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন সিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী হাসিনা বেগম।

 

 

ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জিয়ানগর এলাকার যুবসমাজ। স্থানীয় যুবক মো. নূর ইসলামের উদ্যোগে পানছড়ির বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সহযোগিতা সংগ্রহ করা হয়। সেই সহযোগিতার অর্থ দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই নির্মাণ করা হয় একটি টিনসেট ঘর।

 

 

সোমবার (৯ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ঘরটি সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়। নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি ও তার পরিবার।

 

 

উদ্যোক্তা মো. নূর ইসলাম বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করেছি। পানছড়ির অনেক মানুষ আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অসহায় পরিবারটির জন্য একটি ঘর নির্মাণ করতে পেরেছি—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।”

 

 

স্থানীয়রা বলেন, সমাজে এখনও অনেক অসহায় মানুষ রয়েছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতার প্রকৃত পরিচয়। ভবিষ্যতেও এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

 

ট্যাগঃ

পানছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উপর হামলা: প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভেঙে পড়া ঘর, চোখে ছিল হতাশা যুবসমাজের উদ্যোগে ফিরল নতুন আশার আলো

আপডেট টাইমঃ ০৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ফাহিম উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার জিয়ানগর গ্রামের অসহায় দিনমজুর মো. সিরাজুল ইসলামের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল একটি ছোট মাটির ঘর। বহু কষ্টে নিজের ও স্ত্রীর পরিশ্রমে গড়া সেই ঘরটিই এক রাতে ভেঙে পড়ে। মুহূর্তেই ভেঙে যায় তাদের স্বপ্ন। তবে হতাশার সেই মুহূর্তে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেয় স্থানীয় যুবসমাজ। তাদের উদ্যোগে নতুন একটি টিনসেট ঘর পেয়ে আবারও আশার আলো দেখছে পরিবারটি।

 

 

জানা যায়, জিয়ানগর গ্রামের বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলাম পেশায় দিন হাজিরা শ্রমিক। সীমিত আয়ের কারণে বহু কষ্টে মাটির তৈরি একটি ছোট ঘর নির্মাণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু ভালো মাটি ও পর্যাপ্ত পানির অভাবে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ করেই ঘরটি ধসে পড়ে। এতে করে একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন সিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী হাসিনা বেগম।

 

 

ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জিয়ানগর এলাকার যুবসমাজ। স্থানীয় যুবক মো. নূর ইসলামের উদ্যোগে পানছড়ির বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সহযোগিতা সংগ্রহ করা হয়। সেই সহযোগিতার অর্থ দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই নির্মাণ করা হয় একটি টিনসেট ঘর।

 

 

সোমবার (৯ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ঘরটি সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়। নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি ও তার পরিবার।

 

 

উদ্যোক্তা মো. নূর ইসলাম বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করেছি। পানছড়ির অনেক মানুষ আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অসহায় পরিবারটির জন্য একটি ঘর নির্মাণ করতে পেরেছি—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।”

 

 

স্থানীয়রা বলেন, সমাজে এখনও অনেক অসহায় মানুষ রয়েছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতার প্রকৃত পরিচয়। ভবিষ্যতেও এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।