ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গফরগাঁওয়ে কান্দিপাড়ায় মাটি খুড়ে রাস্তা তৈরির গর্তে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু আশঙ্কা জনক অবস্থায় আরো একজন।  সৌদি আরব নাজরানে পতিতাবৃত্তির অভিযোগে ১২ জন প্রবাসী গ্রেপ্তার। সাবরাং জিরো পয়েন্টে ২৭কেজি গাঁজাসহ ৩জন মাদক কারবারিকে আটক যারা লড়াই করতে যানে মানুষের অধিকার আদায় করতে যানে আমি সেই দলের মানুষ” অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন  পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান সুদের খাঁচায় বন্দি, ঘুষের টেবিলে জিম্মি: হসপিটালের ফ্লোরে আর্তনাদ করছে অবহেলিত মানুষ মানবতার দুর্গ সমাজ কল্যাণ সংগঠনের পক্ষ থেকে সেলাই মেশিন উপহার খাগড়াছড়িতে সুশীল সমাজ ও জনগণের মানববন্ধন  ‘দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে’, মন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবি। সৌদি আরব এক সপ্তাহে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারী ৭,৭৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কলমাকান্দায় ৫ বছর পর সচল কলমাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সোলার প্যানেল উদ্বোধন 

সিলগালার পরও চলছে সানফ্লাওয়ার ব্যাটারিজ রাতের আঁধারে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির অভিযোগ

রাকিবুল হাসান আহাদ, ক্রাইম রিপোর্টারঃ

 

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার উস্থি ইউনিয়নে সিলগালা করার পরও গোপনে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির অভিযোগ উঠেছে ‘সানফ্লাওয়ার ব্যাটারিজ লিমিটেড’ নামের একটি কারখানার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দিনে কারখানার গেটে প্রশাসনের সিলগালা ও তালা ঝুললেও রাতের আঁধারে সেখানে আবারও শুরু হয় উৎপাদন কার্যক্রম। এতে করে আশপাশের জনবসতির মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি গফরগাঁওয়ে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কারখানাটিকে জরিমানা ও সিলগালা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী সিলগালা করা কারখানায় কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাতের বেলা গোপনে আবারও কারখানাটি চালু করা হচ্ছে।

বাসিন্দারা জানান, গভীর রাতে কারখানার ভেতর থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায় এবং বাতাসে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। তাদের আশঙ্কা, পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির সময় যে বিষাক্ত ধোঁয়া ও সিসার কণা বাতাসে ছড়ায় তা আশপাশের মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

পরিবেশবিদদের মতে, ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি করলে বাতাসে সালফার ডাই-অক্সাইডসহ নানা ক্ষতিকর উপাদান ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন এসব বিষাক্ত গ্যাসের সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুস, কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্রের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার কার্যক্রম নিয়ে শুরু থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। এখন সিলগালার পরও যদি কারখানাটি গোপনে পরিচালিত হয়, তবে তা আইনের প্রতি চরম অবজ্ঞা বলেই মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন। তাদের মতে, শুধু জরিমানা বা সিলগালা নয়—কারখানাটির বিদ্যুৎ সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্নসহ কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসীর আশা, দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গফরগাঁওয়ে কান্দিপাড়ায় মাটি খুড়ে রাস্তা তৈরির গর্তে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু আশঙ্কা জনক অবস্থায় আরো একজন। 

সিলগালার পরও চলছে সানফ্লাওয়ার ব্যাটারিজ রাতের আঁধারে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির অভিযোগ

আপডেট টাইমঃ ১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

রাকিবুল হাসান আহাদ, ক্রাইম রিপোর্টারঃ

 

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার উস্থি ইউনিয়নে সিলগালা করার পরও গোপনে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির অভিযোগ উঠেছে ‘সানফ্লাওয়ার ব্যাটারিজ লিমিটেড’ নামের একটি কারখানার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দিনে কারখানার গেটে প্রশাসনের সিলগালা ও তালা ঝুললেও রাতের আঁধারে সেখানে আবারও শুরু হয় উৎপাদন কার্যক্রম। এতে করে আশপাশের জনবসতির মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি গফরগাঁওয়ে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কারখানাটিকে জরিমানা ও সিলগালা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী সিলগালা করা কারখানায় কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাতের বেলা গোপনে আবারও কারখানাটি চালু করা হচ্ছে।

বাসিন্দারা জানান, গভীর রাতে কারখানার ভেতর থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায় এবং বাতাসে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। তাদের আশঙ্কা, পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির সময় যে বিষাক্ত ধোঁয়া ও সিসার কণা বাতাসে ছড়ায় তা আশপাশের মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

পরিবেশবিদদের মতে, ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি করলে বাতাসে সালফার ডাই-অক্সাইডসহ নানা ক্ষতিকর উপাদান ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন এসব বিষাক্ত গ্যাসের সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুস, কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্রের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার কার্যক্রম নিয়ে শুরু থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। এখন সিলগালার পরও যদি কারখানাটি গোপনে পরিচালিত হয়, তবে তা আইনের প্রতি চরম অবজ্ঞা বলেই মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন। তাদের মতে, শুধু জরিমানা বা সিলগালা নয়—কারখানাটির বিদ্যুৎ সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্নসহ কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসীর আশা, দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া