ঢাকা , সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গফরগাঁওয়ে উদ্যোক্তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা, হত্যার হুমকির অভিযোগ মদনে শশুরের ঘরে চুরির ঘটনায় বাবা ছেলে গ্রেপ্তার। টেকনাফের বাহারছড়ায় কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে মালয়েশিয়ায় পা’চা’রে’র উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩২ জন উদ্ধার। পানছড়িতে শতাধিক নারীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত টেকনাফে বিভিন্ন জায়গা থেকে হারিয়ে যাওয়া ২৫ মোবাইল উদ্ধার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত হুইপদের শ্রদ্ধা নিবেদন খাগড়াছড়িতে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কর্মসূচি: সন্তু লারমার অপসারণ ও তদন্ত দাবি আটপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন  বারহাট্টায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত খাগড়াছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি ধপায় ধপায়। 

শহীদুল ইসলাম শাহেদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুর কামাল ও সাদ্দাম গ্রুপের সঙ্গে সালেহ গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলি হয়।

রবিবার (৯ নভেম্বর) রাত ১০টার পর থেকে বিরতিহীনভাবে গুলিবিনিময় শুরু হয়, যা রাত ১টা পর্যন্ত চলতে থাকে। গুলির শব্দে পুরো ক্যাম্প এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেকনাফ ১৬ এপিবিএন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার বলেন, নুর কামাল ও সাদ্দাম গ্রুপ একত্রিত হয়ে সালেহ গ্রুপের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এপিবিএন সদস্যরা একাধিক ফাঁকা গুলি ছোড়ে। বর্তমানে ক্যাম্পের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে একটি বিশেষ টিম পাহাড়ে অবস্থান করছে। ক্যাম্পে কেউ অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোহিঙ্গা মাঝি বলেন, প্রতিদিন ক্যাম্প ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র গ্রুপগুলোর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সাধারণ রোহিঙ্গারা আতঙ্কে দিন পার করছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, যেন এ ধরনের সংঘর্ষ বন্ধ হয়।

এদিকে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শফি, তোহা, সাদ্দাম, নুর কামাল ও সালেহ সহ আরও কয়েকটি সশস্ত্র গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এসব গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পের ভেতর ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় প্রায়ই গোলাগুলি, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও ডাকাতির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে। এতে সাধারণ রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নতুন করে খালেদ নামে একটি গ্ৰুপ রয়েছে বলে জানা যায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গফরগাঁওয়ে উদ্যোক্তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা, হত্যার হুমকির অভিযোগ

টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি ধপায় ধপায়। 

আপডেট টাইমঃ ০৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

শহীদুল ইসলাম শাহেদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুর কামাল ও সাদ্দাম গ্রুপের সঙ্গে সালেহ গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলি হয়।

রবিবার (৯ নভেম্বর) রাত ১০টার পর থেকে বিরতিহীনভাবে গুলিবিনিময় শুরু হয়, যা রাত ১টা পর্যন্ত চলতে থাকে। গুলির শব্দে পুরো ক্যাম্প এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেকনাফ ১৬ এপিবিএন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার বলেন, নুর কামাল ও সাদ্দাম গ্রুপ একত্রিত হয়ে সালেহ গ্রুপের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এপিবিএন সদস্যরা একাধিক ফাঁকা গুলি ছোড়ে। বর্তমানে ক্যাম্পের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে একটি বিশেষ টিম পাহাড়ে অবস্থান করছে। ক্যাম্পে কেউ অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোহিঙ্গা মাঝি বলেন, প্রতিদিন ক্যাম্প ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র গ্রুপগুলোর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সাধারণ রোহিঙ্গারা আতঙ্কে দিন পার করছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, যেন এ ধরনের সংঘর্ষ বন্ধ হয়।

এদিকে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শফি, তোহা, সাদ্দাম, নুর কামাল ও সালেহ সহ আরও কয়েকটি সশস্ত্র গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এসব গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পের ভেতর ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় প্রায়ই গোলাগুলি, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও ডাকাতির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে। এতে সাধারণ রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নতুন করে খালেদ নামে একটি গ্ৰুপ রয়েছে বলে জানা যায়।