ঢাকা , সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গফরগাঁওয়ে উদ্যোক্তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা, হত্যার হুমকির অভিযোগ মদনে শশুরের ঘরে চুরির ঘটনায় বাবা ছেলে গ্রেপ্তার। টেকনাফের বাহারছড়ায় কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে মালয়েশিয়ায় পা’চা’রে’র উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩২ জন উদ্ধার। পানছড়িতে শতাধিক নারীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত টেকনাফে বিভিন্ন জায়গা থেকে হারিয়ে যাওয়া ২৫ মোবাইল উদ্ধার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত হুইপদের শ্রদ্ধা নিবেদন খাগড়াছড়িতে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কর্মসূচি: সন্তু লারমার অপসারণ ও তদন্ত দাবি আটপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন  বারহাট্টায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত খাগড়াছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

ময়মনসিংহ ১১ভালুকা সংসদীয় আসনে জামানত হারালেন দুই প্রার্থী। 

  • অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইমঃ ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৫ বার

আদিলুর রহমান 

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি 

 

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা)।

গত বৃহস্পতিবার রাতে আসনটির সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)–এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের জামানত জমা দিতে হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।

 

রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, যিনি পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম (শাপলা কলি) পেয়েছেন ২২ হাজার ১৯৫ ভোট।

 

অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) পেয়েছেন মাত্র ৩৯১ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৫ ভোট। প্রদত্ত মোট ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গফরগাঁওয়ে উদ্যোক্তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা, হত্যার হুমকির অভিযোগ

ময়মনসিংহ ১১ভালুকা সংসদীয় আসনে জামানত হারালেন দুই প্রার্থী। 

আপডেট টাইমঃ ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আদিলুর রহমান 

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি 

 

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা)।

গত বৃহস্পতিবার রাতে আসনটির সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)–এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের জামানত জমা দিতে হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।

 

রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, যিনি পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম (শাপলা কলি) পেয়েছেন ২২ হাজার ১৯৫ ভোট।

 

অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) পেয়েছেন মাত্র ৩৯১ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৫ ভোট। প্রদত্ত মোট ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।