ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বীরগঞ্জে জমকালো বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু ময়মনসিংহর গফরগাঁওয়ে বিএনপি নেতা মুশফিকুর রহমানের ভাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি  বারহাট্টায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ উদযাপন। ২ নং চানগাঁও ইউনিয়ন বাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মদন উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন আর বেঁচে থাকার অবলম্বন। কুমিল্লায় ‘বন্ধুত্ব ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি’র নতুন জেলা কমিটি গঠন কেন্দুয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে আবু সাদেক ভুইয়ার প্রাণহানি। বীরগঞ্জে শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা প্রধান সম্মাননা পেলেন মাওলানা হযরত আলী শ্রীপুরে  শতাধিক আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যক্তি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে যোগদান মদনে টাকা ও অলংকার নিয়ে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী: থানায় অভিযোগ

ময়মনসিংহ ১১ভালুকা সংসদীয় আসনে জামানত হারালেন দুই প্রার্থী। 

  • অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইমঃ ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৯১ বার

আদিলুর রহমান 

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি 

 

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা)।

গত বৃহস্পতিবার রাতে আসনটির সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)–এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের জামানত জমা দিতে হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।

 

রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, যিনি পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম (শাপলা কলি) পেয়েছেন ২২ হাজার ১৯৫ ভোট।

 

অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) পেয়েছেন মাত্র ৩৯১ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৫ ভোট। প্রদত্ত মোট ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বীরগঞ্জে জমকালো বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু

ময়মনসিংহ ১১ভালুকা সংসদীয় আসনে জামানত হারালেন দুই প্রার্থী। 

আপডেট টাইমঃ ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আদিলুর রহমান 

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি 

 

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা)।

গত বৃহস্পতিবার রাতে আসনটির সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)–এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের জামানত জমা দিতে হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।

 

রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, যিনি পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম (শাপলা কলি) পেয়েছেন ২২ হাজার ১৯৫ ভোট।

 

অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (ট্রাক) পেয়েছেন মাত্র ৩৯১ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল (হাতপাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৫ ভোট। প্রদত্ত মোট ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।