ঢাকা , সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গফরগাঁওয়ে উদ্যোক্তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা, হত্যার হুমকির অভিযোগ মদনে শশুরের ঘরে চুরির ঘটনায় বাবা ছেলে গ্রেপ্তার। টেকনাফের বাহারছড়ায় কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে মালয়েশিয়ায় পা’চা’রে’র উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩২ জন উদ্ধার। পানছড়িতে শতাধিক নারীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত টেকনাফে বিভিন্ন জায়গা থেকে হারিয়ে যাওয়া ২৫ মোবাইল উদ্ধার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত হুইপদের শ্রদ্ধা নিবেদন খাগড়াছড়িতে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কর্মসূচি: সন্তু লারমার অপসারণ ও তদন্ত দাবি আটপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন  বারহাট্টায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত খাগড়াছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: সর্বস্তরের জনগণের অনুরোধে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন আহসান হাবীব (ঠান্ডু)

  • অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইমঃ ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৪৯ বার

নাছিম মৃধা

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

 

আসন্ন চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন আলোচনা বাড়ছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মাঝেও তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, গ্রাম ও হাট-বাজারে গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে জানা গেছে—ধর্ম, বর্ণ, দল, মত ও বংশ নির্বিশেষে সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের অনুরোধে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আহসান হাবীব (ঠান্ডু)।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, চিতলমারীর উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, কৃষি ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তারা মনে করেন, একজন সৎ, কর্মঠ ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বই পারে উপজেলাকে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদে রূপ দিতে। দীর্ঘদিন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় আহসান হাবীব (ঠান্ডু) সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মত দেন অনেকে।
সমর্থকদের দাবি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক শান্তি বজায় রেখে সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কোনো বিভাজন নয়—উন্নয়নই হবে মূল লক্ষ্য। তারা জোর দিয়ে বলেন, “শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, আমরা চাই কাজের প্রমাণ।” বিশেষ করে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, জুয়া ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে তারা সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দেখতে চান।
উপজেলার সচেতন মহল বলছে, চিতলমারীর সম্ভাবনাময় কৃষিখাত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা, নদীভিত্তিক অর্থনীতি এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিকাশে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি শক্তিশালী করা হলে সাধারণ মানুষের জীবনমান আরও উন্নত হবে। এ ক্ষেত্রে জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আহসান হাবীব (ঠান্ডু) গণমাধ্যমকে জানান, “জনগণের ভালোবাসা ও অনুরোধই আমাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি বিশ্বাস করি, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে চিতলমারীকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব।” তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমে সবাইকে সম্পৃক্ত করা হবে।
এদিকে নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনগণের প্রত্যাশা ও আস্থাই হবে নির্বাচনের প্রধান নিয়ামক। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে, কে হবেন চিতলমারী উপজেলা পরিষদের আগামী চেয়ারম্যান।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গফরগাঁওয়ে উদ্যোক্তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা, হত্যার হুমকির অভিযোগ

চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: সর্বস্তরের জনগণের অনুরোধে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন আহসান হাবীব (ঠান্ডু)

আপডেট টাইমঃ ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাছিম মৃধা

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

 

আসন্ন চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন আলোচনা বাড়ছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মাঝেও তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, গ্রাম ও হাট-বাজারে গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে জানা গেছে—ধর্ম, বর্ণ, দল, মত ও বংশ নির্বিশেষে সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের অনুরোধে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আহসান হাবীব (ঠান্ডু)।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, চিতলমারীর উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, কৃষি ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তারা মনে করেন, একজন সৎ, কর্মঠ ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বই পারে উপজেলাকে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদে রূপ দিতে। দীর্ঘদিন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় আহসান হাবীব (ঠান্ডু) সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মত দেন অনেকে।
সমর্থকদের দাবি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক শান্তি বজায় রেখে সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কোনো বিভাজন নয়—উন্নয়নই হবে মূল লক্ষ্য। তারা জোর দিয়ে বলেন, “শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, আমরা চাই কাজের প্রমাণ।” বিশেষ করে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, জুয়া ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে তারা সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দেখতে চান।
উপজেলার সচেতন মহল বলছে, চিতলমারীর সম্ভাবনাময় কৃষিখাত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা, নদীভিত্তিক অর্থনীতি এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিকাশে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি শক্তিশালী করা হলে সাধারণ মানুষের জীবনমান আরও উন্নত হবে। এ ক্ষেত্রে জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আহসান হাবীব (ঠান্ডু) গণমাধ্যমকে জানান, “জনগণের ভালোবাসা ও অনুরোধই আমাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি বিশ্বাস করি, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে চিতলমারীকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ উপজেলায় রূপান্তর করা সম্ভব।” তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমে সবাইকে সম্পৃক্ত করা হবে।
এদিকে নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনগণের প্রত্যাশা ও আস্থাই হবে নির্বাচনের প্রধান নিয়ামক। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে, কে হবেন চিতলমারী উপজেলা পরিষদের আগামী চেয়ারম্যান।