ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গফরগাঁওয়ে কান্দিপাড়ায় মাটি খুড়ে রাস্তা তৈরির গর্তে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু আশঙ্কা জনক অবস্থায় আরো একজন।  সৌদি আরব নাজরানে পতিতাবৃত্তির অভিযোগে ১২ জন প্রবাসী গ্রেপ্তার। সাবরাং জিরো পয়েন্টে ২৭কেজি গাঁজাসহ ৩জন মাদক কারবারিকে আটক যারা লড়াই করতে যানে মানুষের অধিকার আদায় করতে যানে আমি সেই দলের মানুষ” অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন  পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান সুদের খাঁচায় বন্দি, ঘুষের টেবিলে জিম্মি: হসপিটালের ফ্লোরে আর্তনাদ করছে অবহেলিত মানুষ মানবতার দুর্গ সমাজ কল্যাণ সংগঠনের পক্ষ থেকে সেলাই মেশিন উপহার খাগড়াছড়িতে সুশীল সমাজ ও জনগণের মানববন্ধন  ‘দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে’, মন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবি। সৌদি আরব এক সপ্তাহে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারী ৭,৭৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কলমাকান্দায় ৫ বছর পর সচল কলমাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সোলার প্যানেল উদ্বোধন 

বিজিবি অভিযানে শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকা থেকে মানব পাচার চক্রের ৬ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক।

শহীদুল ইসলাম শাহেদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

 

কক্সবাজারের টেকনাফে মানব পাচার চক্রের বড় একটি নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) পরিচালিত এক গতিশীল অভিযানে মানব পাচারে জড়িত ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়; অভিযান চালু থাকা অবস্থায় পাচারকারীরা মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আনা একদল লোককে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করছিল বলে জানায় বিজিবি।

 

গোপন সূত্রের খবর পেয়ে ২ বিজিবির অধিনায়কের নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়। অভিযানে অংশ নেওয়া বিজিবি সদস্যরা মোছাঃ শামসুন্নাহারের বাড়ি ঘেরাও করে; বাড়ির পিছনের অংশ দিয়ে চক্রের দুইজন সদস্য পালিয়ে গেলেও বাড়ির ভেতর প্লাস্টিকের ছাউনির একটি ঘর থেকে বাড়ির মালিক মোছাঃ শামসুন্নাহারকে সহ মোট ছয়জনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা টাকার বিনিময়ে পাচারকারীদের আনা মানুষের সাময়িক আশ্রয় দিয়ে আসছিল এবং কিছু অপরাধী সম্মিলিতভাবে মিয়ানমার থেকে লোক এনে বিভিন্ন ক্যাম্পে সরিয়ে দেওয়া ও মোটা অংকের অর্থে FDMN কার্ড সংগ্রহে সহায়তা করত।

 

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মোছাঃ শামসুন্নাহার (৩৫) — যিনি মিস্ত্রিপাড়া, সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং স্বামী মোহাম্মদ আখের প্রবাসী; হোসনে আরা (৩১) — ২০ নম্বর বালুখালী এফডিএমএন ক্যাম্পের; নুরুন্নিসা (৪৯) — ২৬ নম্বর শালবাগান এফডিএমএন ক্যাম্পের; মোহাম্মদ ইসমাইল (৫০) — ২০ নম্বর বালুখালী এফডিএমএন ক্যাম্পের; হারুন (৩৫) — ১৫ নম্বর জামতলি এফডিএমএন ক্যাম্পের এবং ইউসুফ আলী (৪৭) — ২৬ নম্বর শালবাগান এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা। পালিয়ে থাকা আসামিদের মধ্যে কালু মিয়া (৩৫) ও হাশেম মোল্লা (২৫) সহ আরও আনুমানিক দুই জনকে খুঁজে পেতে অভিযান চলছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গফরগাঁওয়ে কান্দিপাড়ায় মাটি খুড়ে রাস্তা তৈরির গর্তে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু আশঙ্কা জনক অবস্থায় আরো একজন। 

বিজিবি অভিযানে শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকা থেকে মানব পাচার চক্রের ৬ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক।

আপডেট টাইমঃ ১১:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

শহীদুল ইসলাম শাহেদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

 

কক্সবাজারের টেকনাফে মানব পাচার চক্রের বড় একটি নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) পরিচালিত এক গতিশীল অভিযানে মানব পাচারে জড়িত ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়; অভিযান চালু থাকা অবস্থায় পাচারকারীরা মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আনা একদল লোককে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করছিল বলে জানায় বিজিবি।

 

গোপন সূত্রের খবর পেয়ে ২ বিজিবির অধিনায়কের নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়। অভিযানে অংশ নেওয়া বিজিবি সদস্যরা মোছাঃ শামসুন্নাহারের বাড়ি ঘেরাও করে; বাড়ির পিছনের অংশ দিয়ে চক্রের দুইজন সদস্য পালিয়ে গেলেও বাড়ির ভেতর প্লাস্টিকের ছাউনির একটি ঘর থেকে বাড়ির মালিক মোছাঃ শামসুন্নাহারকে সহ মোট ছয়জনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা টাকার বিনিময়ে পাচারকারীদের আনা মানুষের সাময়িক আশ্রয় দিয়ে আসছিল এবং কিছু অপরাধী সম্মিলিতভাবে মিয়ানমার থেকে লোক এনে বিভিন্ন ক্যাম্পে সরিয়ে দেওয়া ও মোটা অংকের অর্থে FDMN কার্ড সংগ্রহে সহায়তা করত।

 

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মোছাঃ শামসুন্নাহার (৩৫) — যিনি মিস্ত্রিপাড়া, সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং স্বামী মোহাম্মদ আখের প্রবাসী; হোসনে আরা (৩১) — ২০ নম্বর বালুখালী এফডিএমএন ক্যাম্পের; নুরুন্নিসা (৪৯) — ২৬ নম্বর শালবাগান এফডিএমএন ক্যাম্পের; মোহাম্মদ ইসমাইল (৫০) — ২০ নম্বর বালুখালী এফডিএমএন ক্যাম্পের; হারুন (৩৫) — ১৫ নম্বর জামতলি এফডিএমএন ক্যাম্পের এবং ইউসুফ আলী (৪৭) — ২৬ নম্বর শালবাগান এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা। পালিয়ে থাকা আসামিদের মধ্যে কালু মিয়া (৩৫) ও হাশেম মোল্লা (২৫) সহ আরও আনুমানিক দুই জনকে খুঁজে পেতে অভিযান চলছে।