
আদিলুর রহমান আদিল
ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
আওয়ামীলীগের দুর্গবলে খ্যাত গফরগাঁও ও পাগলা সেই দুর্গ ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন গফরগাঁও ও পাগলার আরেক বিএনপি’র সেনাপতি আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। গত ৩০ বছরের অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন তিনি। এটা ময়মনসিংহ গফরগাঁও উপজেলা (পাগলা) সংদীয় আসনের জন্য গর্বের অহংকারের বিষয়। ত্রয়োদশজাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ৭৪ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।স্বাধীনতার পর এই দিতীয় বারের কেউ একজন গফরগাঁও ও পাগলার মাটি থেকে উঠে আসা কোনো প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে সংসদে যাচ্ছেন। শুধু একটি আসন নয়, এক দীর্ঘ রাজনৈতিক অপেক্ষার অবসান ঘটল এ বিজয়ে।টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে ভোটারদের ভোট প্রয়োগ তারপর গণনা। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত যখন ধীরে ধীরে গভীর হচ্ছিল তখনও শেষ হয়নি মানুষের অপেক্ষা। উপজেলা সভা কক্ষের বাইরে অপেক্ষমান হাজারো মানুষ। হাতে মোবাইল নিয়ে যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সবার দৃষ্টি কোন কেন্দ্রের কি ফলাফল আসছে সেটা দেখার জন্য।
সবার মনে ছিল একটা প্রশ্ন বাচ্চু ভাই কি জিতবে? আবার কেউ কেউ শতভাগ নিশ্চিত হয়েই বলছেন অবশ্যই জিতবে! আর তাই সত্যে পরিণত হলো। আমাদের গফরগাঁও ও পাগলার মাটিতে জন্ম নেয়া, সন্তানই বিজয় হয়ে বীরের বেশে যাবে বা যাচ্ছে সংসদে।গফরগাঁও উপজেলার দুই টি থানা একটি পৌরসভা, ১৫ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ ১০ আসনটি বহু বছর ধরেই ছিল প্রত্যাশার প্রতীক। অতীতে এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হয়েছেন , কিন্তু তারা ছিলেন বাহিরের। গফরগাঁও উপজেলা ও পাগলা থানার মানুষের এই ব্যথা ছিল গভীরে নীরবে।এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়ন দেয় পাগলা থানাদীন লংগাইর ইউনিয়েরন সৈয়দ পাড়া গ্রামের সন্তান আক্তারুজ্জামান বাচ্চুকে।দলের চরম দুর্দিনে রাজপথ কাঁপানো এই
ব্যবসায়িক ও রাজনীতিবিকে মনোনয়ন দিয়ে দলটি ভুল করেনি সেটা প্রমাণ হয়েছে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে। প্রথম দিকেদলে ছয় জন মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকলেও বাচ্চুর নাম ঘোষণার পর দৃশ্যপট পাল্টে যায়। প্রকাশ্য বিরোধিতার জায়গায় আসে ঐক্যের বার্তা।

অনলাইন ডেস্কঃ 



















