ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বারহাট্টায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল -নিউ এভারেস্ট টিউটোরিয়াল হোম এর এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের আরম্বরপূর্ণ বিদায় অনুষ্ঠান মদনে শহিদ স্মরণিকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। মদনে নিজ স্ত্রী, নার্সের হাত পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী আটক।   বীরগঞ্জে জমকালো বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু ময়মনসিংহর গফরগাঁওয়ে বিএনপি নেতা মুশফিকুর রহমানের ভাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি  বারহাট্টায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ উদযাপন। ২ নং চানগাঁও ইউনিয়ন বাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মদন উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন আর বেঁচে থাকার অবলম্বন। কুমিল্লায় ‘বন্ধুত্ব ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি’র নতুন জেলা কমিটি গঠন কেন্দুয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে আবু সাদেক ভুইয়ার প্রাণহানি।

জেলা বিএনপির উদ্যেগে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন  

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে (৭ নভেম্বর) শুক্রবার পৌর পার্কে বিকাল ৪ ঘটিকায় জেলা বিএনপির আয়োজনে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করেছে। এই ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। বর্ণাঢ্য র‍্যালী টি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর পার্ক থেকে আরাম্ভ করে শান্তি মোড়ে শেষ করে। র‍্যালি শেষে পৌর মঞ্চে আলোচনা সভা করে জেলা বিএনপি। উক্ত র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম টিপু জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম (চাইনিজ রফিক), জেলা মহিলা দলের সম্পাদক মাসউদা আফরোজা হক সুচি,চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ সারওয়ার জাহান, জেলা বিএনপির সদস্য ওবায়েদ পাঠান, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহিরুল হক বিশ্বাস বুলু, এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সেন্টু,ইন্জিনিয়ার ইমদাদুল হক মাসুদ ও সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম কিবরিয়া কোয়েল প্রমুখ। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি ইতিহাস তুলে ধরেন বক্তারা,১৯৭৫ সালের এই দিনে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়ে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। তিনি ক্রান্তিময় সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে প্রবর্তন করেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সূচনা করেন উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতি। তাই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত দিন। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বারহাট্টায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল -নিউ এভারেস্ট টিউটোরিয়াল হোম এর এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের আরম্বরপূর্ণ বিদায় অনুষ্ঠান

জেলা বিএনপির উদ্যেগে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন  

আপডেট টাইমঃ ০৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে (৭ নভেম্বর) শুক্রবার পৌর পার্কে বিকাল ৪ ঘটিকায় জেলা বিএনপির আয়োজনে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করেছে। এই ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। বর্ণাঢ্য র‍্যালী টি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর পার্ক থেকে আরাম্ভ করে শান্তি মোড়ে শেষ করে। র‍্যালি শেষে পৌর মঞ্চে আলোচনা সভা করে জেলা বিএনপি। উক্ত র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম টিপু জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম (চাইনিজ রফিক), জেলা মহিলা দলের সম্পাদক মাসউদা আফরোজা হক সুচি,চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ সারওয়ার জাহান, জেলা বিএনপির সদস্য ওবায়েদ পাঠান, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহিরুল হক বিশ্বাস বুলু, এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সেন্টু,ইন্জিনিয়ার ইমদাদুল হক মাসুদ ও সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম কিবরিয়া কোয়েল প্রমুখ। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি ইতিহাস তুলে ধরেন বক্তারা,১৯৭৫ সালের এই দিনে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়ে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। তিনি ক্রান্তিময় সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে প্রবর্তন করেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সূচনা করেন উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতি। তাই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত দিন। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।