ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সেন্টমার্টিনের অদূরে সমুদ্র এলাকায় নৌবাহিনী অভিযানে সিমেন্ট বোঝাই বোটসহ ১১ জনকে আটক করেছে  নেত্রকোনায় বিএনপি থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়ন পেলেন মানসুরা আক্তার। সৌদি যুবরাজ আল-বুরহান সুদানের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছেন। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, কেন্দুয়া উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ভোলাহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত!  ফাতেমা নগর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস এস সি পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা  মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সরকারি ডিউটি ফেলে ক্লিনিকে রোগী দেখছেন ডা. অদিত্য পোদ্দার টেকনাফে লেঙ্গুরবিল এলাকায় নৌবাহিনীর অভিযানে ৩৬০০ পিস ইয়াবাসহ ১টি প্রাইভেট কার জব্দ। টেকনাফে পুলিশের বিশেষ অভিযান: সাজা পরোয়ানার পলাতকসহ ২২ আসামী গ্রেফতার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বড় ডেইল এলাকায় কক্সবাজারগামী গাড়িতে আগুন।

জীবদ্দশাতেই নিজের বিদায়ের স্মৃতিটুকু দেখে গেলেন দুখু মিয়া!

হাবিবুল ইসলাম 

আটপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি :

 

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার আলিপুর গ্রামের এক অনন্য ঘটনার সাক্ষী হলাম আমরা। সাধারণত মানুষ মারা যাওয়ার পর তার আত্নীয়-স্বজনরা কুলখানি বা চল্লিশার আয়োজন করেন। কিন্তু আলিপুর গ্রামের দুখু মিয়া নিজের চল্লিশার আয়োজন নিজেই সম্পন্ন করলেন তার জীবিত থাকাকালীন সময়েই।

 

মৃত্যু অবধারিত—এই চিরন্তন সত্যকে হাসিমুখে গ্রহণ করে তিনি গ্রামের মানুষকে দাওয়াত করে খাইয়েছেন। নিজের শেষ বিদায়ের ভোজটা তিনি নিজেই দেখে যেতে চাইলেন। জীবনের এই বিচিত্র রূপ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা সবাই ক্ষণস্থায়ী।

দুখু মিয়ার এই ব্যতিক্রমী ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা রইল। তার বাকি জীবনটা সুস্থ ও সুন্দর কাটুক, এই কামনাই করি।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্টমার্টিনের অদূরে সমুদ্র এলাকায় নৌবাহিনী অভিযানে সিমেন্ট বোঝাই বোটসহ ১১ জনকে আটক করেছে 

জীবদ্দশাতেই নিজের বিদায়ের স্মৃতিটুকু দেখে গেলেন দুখু মিয়া!

আপডেট টাইমঃ ০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

হাবিবুল ইসলাম 

আটপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি :

 

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার আলিপুর গ্রামের এক অনন্য ঘটনার সাক্ষী হলাম আমরা। সাধারণত মানুষ মারা যাওয়ার পর তার আত্নীয়-স্বজনরা কুলখানি বা চল্লিশার আয়োজন করেন। কিন্তু আলিপুর গ্রামের দুখু মিয়া নিজের চল্লিশার আয়োজন নিজেই সম্পন্ন করলেন তার জীবিত থাকাকালীন সময়েই।

 

মৃত্যু অবধারিত—এই চিরন্তন সত্যকে হাসিমুখে গ্রহণ করে তিনি গ্রামের মানুষকে দাওয়াত করে খাইয়েছেন। নিজের শেষ বিদায়ের ভোজটা তিনি নিজেই দেখে যেতে চাইলেন। জীবনের এই বিচিত্র রূপ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা সবাই ক্ষণস্থায়ী।

দুখু মিয়ার এই ব্যতিক্রমী ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা রইল। তার বাকি জীবনটা সুস্থ ও সুন্দর কাটুক, এই কামনাই করি।