ঢাকা , রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কালিয়াকৈরে রেড ক্রিসেন্ট টিমকে ইউএনও’র উপহার জমিয়তে উলামা ইসলাম বাংলাদেশ নেত্রকোনা- ৪ আসন। মদন, মোহনগঞ্জ ,ও খালিয়াজুরীর মনোনীত প্রার্থী হলেন মুফতি আনোয়ার হোসেন।  টেকনাফে নির্মিত হচ্ছে বিদ্যুতের গ্রীড উপকেন্দ্র: নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবার পাশাপাশি গড়ে উঠবে শিল্প কারখানা গফরগাঁও জেএম কামিল মাদ্রাসায় উপস্থিত না থেকেও বেতন ভাতা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষ আতাউর রহমানের নামে।  কুমিল্লায় নারী সাংবাদিক আখির উপর সন্ত্রাসী হামলা : বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা/২৫ অনুষ্ঠান করেছে পানছড়ি অনির্বাণ শিল্পীগোষ্ঠী। সেন্টমাটিন দ্বীপের সীমান্ত নাইক্ষ্যংদিয়া জলসীমা থেকে ১২ জন জেলে গেপ্তার করে নিয়ে যায় মায়ানমার আরকান আর্মি জরুরি সভা: দৈনিক নেত্রপ্রকাশ-এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেত্রকোনা-৩ মনোনীত প্রার্থীর কেন্দুয়া আলেম উলামাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত  ——- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় আপিলের রায় ৪ সেপ্টেম্বর

মানবেতর জীবনযাপন করছেন স’মিলে হাতকেটে পঙ্গু তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপির প্রবীণ নেতা ওসমান গনি খাঁজালী”

আশরাফ ইলিয়াস (কেন্দুয়া,নেত্রকোনা)

 

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার ১১নং চিরাং ইউনিয়নের চিলিমপুর গ্রামের প্রবীণ নেতা ওসমান গনি খান খাঁজালী। বর্তমানে তিনি ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। স’মিলে হাত কেটে পঙ্গু হয়ে একরকম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ওনার দুই ছেলে, বড় ছেলে কেন্দুয়া সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে এবং ছোট ছেলে ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ছে। বর্তমানে কেন্দুয়া নতুন বাসস্ট্যান্ডে একটি ম্যাচের দায়িত্ব পালন করে সেখান থেকে সামান্য আয় দিয়ে পরিবার নিয়ে অতিকষ্টে জীবনযাপন করছেন।

 

প্রতিবেদকের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন, যখন থেকে বুঝি তখন থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হই। বিগত ১৯৯৬ সালে আমি এইজন্য একটি মামলার ২৯ নাম্বার আসামিও হই। তারপরও বিএনপির আদর্শ থেকে সরে আসিনি। আমি ২০২৩ এর ১৩ ই আগস্ট স’মিলে কাজ করার সময় আহত হয়ে বামহাতের কবজি কেটে যায় এবং বর্তমানে আমার বামহাত অচল। দুই ছেলে এবং স্ত্রীকে নিয়ে আগের মত সকল কাজ করতে না পারায় খুবই অর্থকষ্টে আছি। বড় ছেলেকে কলেজে এবং ছোট ছেলেকে স্কুলে পড়াচ্ছি। ম্যাচে চাকরি করে ৭/৮ হাজার টাকা পাই। এটা দিয়ে আমার চাল-ডালসহ সবকিছু কিনে খেতে হয় আর দুই ছেলের পড়াশোনার খরচও আছে। সামান্য এই আয় দিয়ে পরিবার নিয়ে চলতে পারিনা। এমনও হয় ঘরে চাল নেই আবার ছেলের প্রাইভেটের বেতন দিতে হয়। বেতন দিয়ে চাল না কিনেই বাড়ি ফিরে গিয়েছি,চুলোয় আগুন ধরেনি সেদিন। বর্তমানে বিএনপির কোন সিনিয়র নেতাই আমার কোন খোঁজ খবর নেয়নি। আমারও লজ্জা করে কারও কাছে যেতে। শত কষ্টের মাঝেও বিএনপির আদর্শকে লালন করে রাজনীতি করে যাচ্ছি। আমার একহাত অকেঁজো থাকায় সব কাজ করতে পারিনা।কোন সিনিয়র নেতা যদি আমার খোঁজখবর নিয়ে পাশে দাড়াতেন এবং একটা ভালো কাজের ব্যবস্হা করে দিতেন তবে বুঝতে পারতাম আমি একজন বিএনপির কর্মী এবং এই দুঃসময়ে জীবনে রাজনীতিতে ত্যাগের মূল্যায়ন পেয়েছি।

কোন নেতার সাথে যোগাযোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, এত বড় বড় নেতার মাঝে আমি গেলে মূল্যায়ন যদি না পাই সেই কারণে যাইনা। আমি ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী আমার থেকে কত বড় বড় লোকজনের ভীড় থাকে দলীয় কার্যালয়ে।

 

যোগাযোগ করেননি তারপরও এমন অনুযোগ কেন তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ইউনিয়নে অনেক বড় বড় নেতা আছে তারা ইচ্ছে করলেই আমাকে নিয়ে সিনিয়র নেতাদের কাছে যেতে পারেন। কিন্তু তারা আমার জন্য কোন কিছুই করেননি। আমার অনুযোগ তাদের প্রতি।

তবে যদি কোন নেতা আমার খবর নেন আমি অবশ্যই কৃতজ্ঞ হবো এবং সারাজীবন তার জন্য দোয়া করবো।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে রেড ক্রিসেন্ট টিমকে ইউএনও’র উপহার

মানবেতর জীবনযাপন করছেন স’মিলে হাতকেটে পঙ্গু তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপির প্রবীণ নেতা ওসমান গনি খাঁজালী”

আপডেট টাইমঃ ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

আশরাফ ইলিয়াস (কেন্দুয়া,নেত্রকোনা)

 

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার ১১নং চিরাং ইউনিয়নের চিলিমপুর গ্রামের প্রবীণ নেতা ওসমান গনি খান খাঁজালী। বর্তমানে তিনি ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। স’মিলে হাত কেটে পঙ্গু হয়ে একরকম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ওনার দুই ছেলে, বড় ছেলে কেন্দুয়া সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে এবং ছোট ছেলে ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ছে। বর্তমানে কেন্দুয়া নতুন বাসস্ট্যান্ডে একটি ম্যাচের দায়িত্ব পালন করে সেখান থেকে সামান্য আয় দিয়ে পরিবার নিয়ে অতিকষ্টে জীবনযাপন করছেন।

 

প্রতিবেদকের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন, যখন থেকে বুঝি তখন থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হই। বিগত ১৯৯৬ সালে আমি এইজন্য একটি মামলার ২৯ নাম্বার আসামিও হই। তারপরও বিএনপির আদর্শ থেকে সরে আসিনি। আমি ২০২৩ এর ১৩ ই আগস্ট স’মিলে কাজ করার সময় আহত হয়ে বামহাতের কবজি কেটে যায় এবং বর্তমানে আমার বামহাত অচল। দুই ছেলে এবং স্ত্রীকে নিয়ে আগের মত সকল কাজ করতে না পারায় খুবই অর্থকষ্টে আছি। বড় ছেলেকে কলেজে এবং ছোট ছেলেকে স্কুলে পড়াচ্ছি। ম্যাচে চাকরি করে ৭/৮ হাজার টাকা পাই। এটা দিয়ে আমার চাল-ডালসহ সবকিছু কিনে খেতে হয় আর দুই ছেলের পড়াশোনার খরচও আছে। সামান্য এই আয় দিয়ে পরিবার নিয়ে চলতে পারিনা। এমনও হয় ঘরে চাল নেই আবার ছেলের প্রাইভেটের বেতন দিতে হয়। বেতন দিয়ে চাল না কিনেই বাড়ি ফিরে গিয়েছি,চুলোয় আগুন ধরেনি সেদিন। বর্তমানে বিএনপির কোন সিনিয়র নেতাই আমার কোন খোঁজ খবর নেয়নি। আমারও লজ্জা করে কারও কাছে যেতে। শত কষ্টের মাঝেও বিএনপির আদর্শকে লালন করে রাজনীতি করে যাচ্ছি। আমার একহাত অকেঁজো থাকায় সব কাজ করতে পারিনা।কোন সিনিয়র নেতা যদি আমার খোঁজখবর নিয়ে পাশে দাড়াতেন এবং একটা ভালো কাজের ব্যবস্হা করে দিতেন তবে বুঝতে পারতাম আমি একজন বিএনপির কর্মী এবং এই দুঃসময়ে জীবনে রাজনীতিতে ত্যাগের মূল্যায়ন পেয়েছি।

কোন নেতার সাথে যোগাযোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, এত বড় বড় নেতার মাঝে আমি গেলে মূল্যায়ন যদি না পাই সেই কারণে যাইনা। আমি ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী আমার থেকে কত বড় বড় লোকজনের ভীড় থাকে দলীয় কার্যালয়ে।

 

যোগাযোগ করেননি তারপরও এমন অনুযোগ কেন তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ইউনিয়নে অনেক বড় বড় নেতা আছে তারা ইচ্ছে করলেই আমাকে নিয়ে সিনিয়র নেতাদের কাছে যেতে পারেন। কিন্তু তারা আমার জন্য কোন কিছুই করেননি। আমার অনুযোগ তাদের প্রতি।

তবে যদি কোন নেতা আমার খবর নেন আমি অবশ্যই কৃতজ্ঞ হবো এবং সারাজীবন তার জন্য দোয়া করবো।