ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সম্মিলিত মানবাধিকার জোট, নেত্রকোণা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা খাগড়াছড়ি জোনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে একদিনেই চিকিৎসা পেলেন পাঁচ শতাধিক মানুষ সরকারি ভর্তুকিতে ইউনিয়ন ভিত্তিক বরাদ্দকৃত হারভেস্টার ‘উধাও’! বারহাট্টায় কৃষকের বুকফাটা হাহাকার শখ থেকে স্বপ্নের ব্যবসা—ব্যাংক কর্মকর্তার হাতে আলোর নতুন রূপ ‘লোপাস ক্যান্ডেল স্টুডিও নেত্রকোনা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম শুরু শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা খাগড়াছড়িতে অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান, আটক ৩—কারাদণ্ড বীরগঞ্জে আদিবাসী খ্রিস্টান পল্লীতে হামলা: মন্দির ভাঙচুর ও জমি দখলচেষ্টায় গ্রেপ্তার ২ টেকনাফ উত্তর শীলখালী গহীন পাহাড়ে মিলল তিন জন যুবকের লাশ কক্সবাজার অ্যাম্বুলেন্সে করে ১০হাজার পিস ইয়াবা পাচারকালে স্বামী-স্ত্রী আটক

সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক সজলের সম্মানের সাথে দাফন

মোঃ মুনিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার চাঁপাইনবাবগঞ্জ

 

সময় টেলিভিশনের সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নিজ গ্রাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাযায় অংশ নেন।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার মগবাজারে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর। তিনি ২০২৩ সালে নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলে অসুস্থ বোধ করলে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন সজল। সেখান থেকে অফিসে এসে দুপুরের খাবার খান। এরপর মগবাজারের বাসায় ফিরে যান। তবে চারতলার ফ্ল্যাটের গেট খুললেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। প্রতিবেশীরা তাকে সিঁড়িতেই পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেন, কিন্তু সজল আর ফেরেননি। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান।

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে পড়াশোনা করা সজল ২০১৩ সাল থেকে সময় টেলিভিশনের প্রযোজনা বিভাগে কাজ করতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়ে, বাবা-মাসহ অনেক আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী টাঙ্গাইলে একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। ঢাকায় সজল একাই থাকতেন।

 

মাজহারুল ইসলাম সজল লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহনপুরে থাকতে প্রথমে সাপ্তাহিক গৌড় সংবাদে উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর বেশকিছু প্রামাণ্য চিত্রও নির্মাণ করেন। পরে সময় টিভিতে কাজ শুরু করেন। মাঝে কিছুদিন সময় টিভির জেলা রিপোর্টার হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও কাজ করেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

সম্মিলিত মানবাধিকার জোট, নেত্রকোণা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক সজলের সম্মানের সাথে দাফন

আপডেট টাইমঃ ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ মুনিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার চাঁপাইনবাবগঞ্জ

 

সময় টেলিভিশনের সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নিজ গ্রাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে লক্ষীপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাযায় অংশ নেন।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার মগবাজারে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে সময় টিভির সহযোগী প্রযোজক মাজহারুল ইসলাম সজলের বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর। তিনি ২০২৩ সালে নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলে অসুস্থ বোধ করলে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন সজল। সেখান থেকে অফিসে এসে দুপুরের খাবার খান। এরপর মগবাজারের বাসায় ফিরে যান। তবে চারতলার ফ্ল্যাটের গেট খুললেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। প্রতিবেশীরা তাকে সিঁড়িতেই পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেন, কিন্তু সজল আর ফেরেননি। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান।

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে পড়াশোনা করা সজল ২০১৩ সাল থেকে সময় টেলিভিশনের প্রযোজনা বিভাগে কাজ করতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়ে, বাবা-মাসহ অনেক আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী টাঙ্গাইলে একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। ঢাকায় সজল একাই থাকতেন।

 

মাজহারুল ইসলাম সজল লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহনপুরে থাকতে প্রথমে সাপ্তাহিক গৌড় সংবাদে উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর বেশকিছু প্রামাণ্য চিত্রও নির্মাণ করেন। পরে সময় টিভিতে কাজ শুরু করেন। মাঝে কিছুদিন সময় টিভির জেলা রিপোর্টার হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও কাজ করেন।