
শহীদুল ইসলাম শাহেদ কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
কক্সবাজার জেলার রামু থানা পুলিশের অভিযানে ১৬’ শ পিস ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার বাউন্ডলি, ১টি মিনি পিকআপসহ ৩ জন গ্রেফতার।
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. তারিখে প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, কতিপয় ব্যক্তি মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিকট সরবরাহের উদ্দেশ্যে ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম নিয়ে রামু হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়ার এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আনোয়ারসহ সঙ্গীয় ফোর্স রামু থানাধীন জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা-বাগান সংলগ্ন নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের মাথায় হোটেল আল মদিনার সামনে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে।
১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. রাত আনুমানিক ০১:৪৫ ঘটিকায় একটি মিনি পিকআপ গাড়ি চেকপোস্ট অতিক্রমকালে থামার সংকেত দিলে গাড়ির চালক পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৩ (তিন) জনকে আটক করে।
গাড়িটি তল্লাশি করে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ৩২টি প্লাস্টিকের সাদা বস্তার মধ্যে রক্ষিত সর্বমোট ১,৬০০ (এক হাজার ছয়শত) পিস ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার বাউন্ডলি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা এসব বাউন্ডলি মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা ও অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা উক্ত ভারী অস্ত্রের সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশের জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ছিল মর্মে প্রতীয়মান হয়।
এ ঘটনায় রামু থানার মামলা নং–৪৭/৮৩৩, তারিখ–১৮/১২/২০২৫ খ্রি., ধারা— সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩) এর ৬(২)(ই)/৭/১০/১২ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
১. মোঃ শাহজাহান (২৫)
পিতা: নুরুল আলম
মাতা: রাজিয়া বেগম
ঠিকানা: কম্বনিয়া, ৭নং ওয়ার্ড, ০১নং নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি
থানা: নাইক্ষ্যংছড়ি, জেলা: বান্দরবান
২. মোঃ ইলিয়াছ (১৯)
পিতা: বদিউজ্জামান

অনলাইন ডেস্কঃ 



















