
শেখ আসাদুজ্জামান মাসুদ, মদন (নেত্রকোনা )প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার মদনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাঞ্চন (৬৫) মিয়া নামের এক বৃদ্ধাকে মারধর করে কোরবানির পশুর হাটে যাওয়ার পথে ২লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়ায় ২২ মে রাতে কাউসার( ২৫)নামের এক যুবককে প্রধান আসামি করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে রুমেলা আক্তার( ৪২)বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা গোবিন্দশ্রী গ্রামের হাফিজিয়া মাদ্রাসার সামনে।স্বজনেরা উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন কাঞ্চন মিয়াকে।
অভিযোগ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় এর আগে ২১ মে, কাঞ্চন মিয়ার ভাগিনা সজীব মিয়া অভিযুক্ত কাউসারের কাছে ১০০শত টাকা পায় অটো রিক্সার ভাড়া বাবদ । ১০০ টাকা চাইতে গেলে তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে আটক করে রাখে কাউসার, রবিন, ছোটন ৩/৪ জন মিলে।
রাতে গ্রামের সালিশ বৈঠক করে কাউসারের বাড়ি থেকে সজীবকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে কাঞ্চন মিয়া সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এ ঘটনা ঘটিয়ে কান্ত হয়নি কিশোর গ্যাং কাউসারের দলবল।
ভুক্তভোগী কাঞ্চন মিয়া গোবিন্দশ্রী সুজন বাজারে কোরবানির পশু ক্রয় করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে যাওয়ার পথে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে সিনেমার কায়দায় কিশোর গ্যাং কাউসার সহ ৪ /৫ জন মিলে রাস্তায় আটক করে কাঞ্চন মিয়া কে মারধর করে দুই পায়ের হাড় ভেঙ্গে দেয় মাথায় আঘাত করে তার সাথে থাকা পশু ক্রয় করার জন্য ২লক্ষ টাকা সঙ্গে ছিল। ২ লক্ষ লুট করে নিয়ে যায়, কাউসার সহ তার দলবল মিলে।
এ ঘটনা ভুক্তভোগী কাঞ্চন মিয়া (কাংকন) মিয়ার( স্ত্রী) রুমেলা আক্তার বাদী হয়ে ঐদিন রাতেই গোবিন্দশ্রী উঁচা হাটি গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে অভিযুক্ত কাউসার (২৫)কে প্রধান আসামি করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মদন থানায় এক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ঘটনা নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দিয়েছে থানায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন ডেস্কঃ 
















