ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাত পোহালেই জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রে -কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম গাজীপুরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে বাস চালক ও সহকারীদের আটক, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে ৯ম জাতীয় পে-স্কেল: ভোটের রাজনীতিতে মানুষের বেতন: সংসদ নির্বাচন: ২৪ ঘণ্টা যেসব যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি দুর্গম পাহাড়ে হেলিকপ্টারে ভোটের সরঞ্জাম: খাগড়াছড়িতে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ উদ্যোগ পানছড়িতে ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের আহবানে বিএনপির শেষ নির্বাচনী মিছিল পিরোজপুর -১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় নেতাকর্মীদের ঢল মদনে গণজোয়ারে ভাসছেন জামায়াত প্রার্থী আল হেলাল। গফরগাঁওয়ে হাসঁ মার্কার প্রচারণায় ১০নং উস্থি ইউনিয়নে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।  বাগমারায় ধানের শীষ বিজয়ের লক্ষ্যে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

জয়ীতা সোসাইটির কোটি টাকা আত্মসাৎ! গ্রাহকদের হুমকি— “সাংবাদিক কিছু করতে পারবে না”

মোঃ মুনিরুল ইসলাম,

 

নিবন্ধন নম্বর ২২.০১.২০২০.৪৪–এর জয়ীতা কঞ্জুমার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড–এর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটি এলাকায় বিভিন্ন সময় উচ্চ লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষ, গৃহিণী, শ্রমজীবী এবং প্রবাসী পরিবারের কাছ থেকে সঞ্চয় সংগ্রহ করে।

 

প্রথমদিকে কিস্তিভিত্তিক টাকা ফেরত দেওয়া হলেও পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি টাকা ফেরত দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকেই গ্রাহকদের সঙ্গে অসহযোগিতা ও সময়ক্ষেপণের প্রবণতা দেখা যায়।

টাকা চাইলে উল্টো হুমকি

 

সঞ্চয় বাবদ টাকা ফেরত চাইতে গেলে প্রতিষ্ঠানটির অর্থ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা মামুন এবং তার মা ভুক্তভোগীদের হুমকি, অপমান ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।

 

এক ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক বলেন—

 

> “আমরা টাকা চাইলে মামুন বা তার মা ফোন করে বলেন

‘সাংবাদিকদের সামনে গিয়ে কি বলবা? সাংবাদিক কি তোদের টাকা তুলতে পারবে?’

আমাদেরকে অপরাধীর মতো কথা শোনানো হয়।”

আরেকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—

 

> “আমরা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছি। এখন টাকা চাইলেই অপমান করা হয়।”

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

চাকরি, বাড়ি এবং প্রশ্নবিদ্ধ সম্পদ

 

অভিযোগ রয়েছে, গ্রাহকদের জমা নেওয়া টাকা দিয়ে মামুন একটি ইসলামি ব্যাংকে চাকরি করছেন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের বালিয়াডাঙ্গা ও শ্রীরামপুর এলাকায় একটি আলিশান ভবন নির্মাণ করেছেন।

 

স্থানীয়দের দাবি— তাঁর সম্পদের উৎস, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং আর্থিক লেনদেন তদন্ত করা উচিত।

ভুক্তভোগীদের দাবি

 

প্রতারিত গ্রাহকেরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন—

 

✔️ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার

✔️ সব গ্রাহকের টাকা ফেরত

✔️ আর্থিক অনিয়ম তদন্ত

✔️ ভবিষ্যতে এ ধরনের সোসাইটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা

 

স্থানীয়রা জানান, শিগগিরই এ বিষয়ে সমষ্টিগতভাবে লিখিত অভিযোগ করা হবে।

এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে

 

ঘটনাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগীরা বলেছেন—

 

> “আমরা নীরব থাকবো না। আইনের মাধ্যমে বিচার চাই।”

 

🖊️ (এই বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে। পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।)

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

রাত পোহালেই জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রে -কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম

জয়ীতা সোসাইটির কোটি টাকা আত্মসাৎ! গ্রাহকদের হুমকি— “সাংবাদিক কিছু করতে পারবে না”

আপডেট টাইমঃ ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ মুনিরুল ইসলাম,

 

নিবন্ধন নম্বর ২২.০১.২০২০.৪৪–এর জয়ীতা কঞ্জুমার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড–এর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটি এলাকায় বিভিন্ন সময় উচ্চ লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষ, গৃহিণী, শ্রমজীবী এবং প্রবাসী পরিবারের কাছ থেকে সঞ্চয় সংগ্রহ করে।

 

প্রথমদিকে কিস্তিভিত্তিক টাকা ফেরত দেওয়া হলেও পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি টাকা ফেরত দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকেই গ্রাহকদের সঙ্গে অসহযোগিতা ও সময়ক্ষেপণের প্রবণতা দেখা যায়।

টাকা চাইলে উল্টো হুমকি

 

সঞ্চয় বাবদ টাকা ফেরত চাইতে গেলে প্রতিষ্ঠানটির অর্থ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা মামুন এবং তার মা ভুক্তভোগীদের হুমকি, অপমান ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।

 

এক ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক বলেন—

 

> “আমরা টাকা চাইলে মামুন বা তার মা ফোন করে বলেন

‘সাংবাদিকদের সামনে গিয়ে কি বলবা? সাংবাদিক কি তোদের টাকা তুলতে পারবে?’

আমাদেরকে অপরাধীর মতো কথা শোনানো হয়।”

আরেকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—

 

> “আমরা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছি। এখন টাকা চাইলেই অপমান করা হয়।”

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

চাকরি, বাড়ি এবং প্রশ্নবিদ্ধ সম্পদ

 

অভিযোগ রয়েছে, গ্রাহকদের জমা নেওয়া টাকা দিয়ে মামুন একটি ইসলামি ব্যাংকে চাকরি করছেন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের বালিয়াডাঙ্গা ও শ্রীরামপুর এলাকায় একটি আলিশান ভবন নির্মাণ করেছেন।

 

স্থানীয়দের দাবি— তাঁর সম্পদের উৎস, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং আর্থিক লেনদেন তদন্ত করা উচিত।

ভুক্তভোগীদের দাবি

 

প্রতারিত গ্রাহকেরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন—

 

✔️ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার

✔️ সব গ্রাহকের টাকা ফেরত

✔️ আর্থিক অনিয়ম তদন্ত

✔️ ভবিষ্যতে এ ধরনের সোসাইটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা

 

স্থানীয়রা জানান, শিগগিরই এ বিষয়ে সমষ্টিগতভাবে লিখিত অভিযোগ করা হবে।

এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে

 

ঘটনাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগীরা বলেছেন—

 

> “আমরা নীরব থাকবো না। আইনের মাধ্যমে বিচার চাই।”

 

🖊️ (এই বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে। পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।)