
পিরোজপুর প্রতিনিধি:
যারা লড়াই করতে যানে মানুষের অধিকার আদায় করতে যানে আমি সেই দলের মানুষ। প্রিয় বন্ধুগণ আমি বেশি কথা বলবো না আমি বলবো না মা ধানের শীষে ভোটটা দিলেন না কেনো। আমরা তো আপনার কাছে ভোটটা চেয়েছিলাম দেশের উন্নয়ন শান্তি সমৃদ্ধির জন্য।
আপনাকে যে বেহেস্তের টিকিটটি দিল আমি তো সাঈদী সাহেবকে দুইবার ভোট দিলাম আমার টিকিটটি কি কই। আমি তো ১৮ সালে ভোট দিতে চেয়েছিলাম। কি বিপ্লবীরা তারা তাদের বাবা যখন জেলে যায় একটি মিছিল দেখা যায়নি। তাদের সংগঠন একটি মিছিল করে নাই আমরা করেছিলাম।
রবিবার(০৮ জুন) দুপুরে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার কলারদয়ানিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে জুলাই সনদ নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও কর্মীসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য এসব কথা বলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
তিনি বলেন, প্রিয় বন্ধুগণ অনেক কথা বলতে ইচ্ছা করে কিন্তু বলি না। উন্নয়ন চান আমি যখন তারেক রহমানের কাছে গিয়েছিলাম তিনি বলেছেন আজ থেকে আবার শুরু করো। যখন পরাজয় বরণ করে তার কাছে গিয়েছিলাম তিনি বলেছিলেন মা বোনদের আরো সচেতন করতে পারতে হয়তো সময়ের অভাবে করতে পারোনি। কুষ্টিয়া দিনাজপুর থেকে হাত-পা মুজা পরে আমার মায়েরা তালিম করে। এখানে কোন মুফতি মহাদেশ যদি থেকে থাকেন ইসলামে কোথাও এদের তাবলীগের কথা নাই । আমার মায়েরা অবশ্যই ইসলাম জানবে তার ঘরে বসে বাহিরে বসে মুফতি সাহেবেরা।
আলমগীর হোসেন বলেন, আজকে বলেন আপনাদেন শরিয়া আইনের প্রয়োজন নাই। কোন আইনে আপনারা ভোট চেয়েছেন লজ্জা করে না। হোটেল বানান আপনারা সুদ খান ইসলামী ব্যাংক সুদি ব্যাংক। সুদ হারাম আপনি যখন বলবেন তখন এহসান করতে পারবেন না আপনি ওই ব্যাংক থেকে প্রতিমাসে নির্ধারিত শোধ নিতে পারবেন নাম সুদকে হারাম করতে চান করবেন। তাবলীগের নামে নির্লজ্জ বেহায়া দল। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকা আমার অঞ্চল থেকে নিয়েছেন একটি আরবি শব্দ থাকলে সবকিছু জায়েজ করে ফেলছেন।
তিনি বলেন, আপনারা ইসলাম বাদ দিয়ে রাজনীতি করেন। মদিনার ইসলামকে বাদ দেয়ার যোগ্যতা আপনাদের হয়েছে কিন্তু প্রতিরোধ করার যোগ্যতা এ দেশের মানুষের আছে। মওদূদীবাদের সংস্কৃতি আমাদের মাঝে প্রচার করবেন না। ইসলামের কথা ইসলামের জায়গায় থাকবে আপনি মানতে পারছেন না সেটা বলবেন না। নানান ছুতায় ভোট নেয়ার জন্য আমাদের দেশের অন্যতম আলেমদের ব্যবহার করেছেন। আমাদের দেশের অন্যতম আলেম মহিবুল্লাহ বাবু নগরী কোরআন হাদিস থেকে ব্যাখ্যা করে একটি কথা বলেছেন দুনিয়ার কোন লাভের জন্য যদি কেউ ইসলামকে ব্যবহার করে শিরক করলো, যে বিশ্বাস করবে সেও শিরক করলো, যে প্রতিবাদ করল না সে পাপ করল, এই পাপ যেন আমরা না করি। বেহেস্ত কামাই করতে হবে আমাকে এবাদত করতে হবে আমাকে। কোরআন হাদিস মেনে আবার ব্যস্ত আমাকে কামাই করতে হবে আবার এবাদতের একটি অংশ সদকায হিসেবে আমার মা বাবার কবরে পৌঁছাবে।
জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, জুলাই সনদ এর ৩০টি দাবি আমরা মেনেছি সব ঐক্যমত হয়েছি। আমরা বলেছি অবশ্যই নারী আসন হবে ১০০ টি আমরা মেনেছি আমরা চাই। কিন্তু দেখলাম যে দলটি নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলেছে তারা কিন্তু একজন নারীকেও নমিনেশন দেয় নি এবং একটি ভাওতা মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে তারা নির্বাচন করেছে তাহলে এই সনদটি তারাই মানে নাই। আমরা স্পষ্ট বলেছি এই উচ্চ কক্ষ হবে যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে তাদের ভোটে আমরা এ কথা বলে পরবর্তী সময়ে সেই পিআর যে পিআর না হলে তারা নির্বাচনে যাবে না এই পিআরের কথা বলছে। আমরা বলেছি এই পিআরের মধ্যে দিয়ে যেমন আওয়ামী লীগের বাম সংগঠন কিছু ভোট পেয়েছে তারা সংসদে যাবেন তারা আওয়ামী লীগের ছায়াতলে ছিল। আমরা বলেছি এটি হবে না। জনগণের ভোটে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ১ শত সিট হবে।
প্রতিবাদ সভায় কলারদয়ানিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক মোঃ আরিফুল হাসান উজ্জ্বলের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মোঃ মাহাবুবুর রহমান শানু এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাজিরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ আবু হাসান খান, সিনয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ রেজাউল করিম লিটন,ইউপি চেয়ারম্যান হাসানত ডালিম।

অনলাইন ডেস্কঃ 


















