ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইয়েমেনের জন্য ১.৯ বিলিয়ন রিয়াল মূল্যের ২৮টি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের প্যাকেজ অফার করেছে সৌদি আরব। ভোলাহাটে প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোলাহাট প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কম্বল বিতরণ! বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত বীরগঞ্জ গড়তে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। পিরোজপুরে শুরু হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ–২০২৫ বাঞ্ছারামপুর ইউএনও’র আকস্মিক মৃত্যু।  বাঞ্ছারামপুর ইউএনও’র আকস্মিক মৃত্যু।  ফরিদপুরের আটরশিতে চার দিনব্যাপী বিশ্ব উরস শরীফ শুরু  নেত্রকোনা-৫ আসনে জামায়াত প্রার্থী মাসুম মোস্তফার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা খাগড়াছড়ির ২০৩ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টি ঝুঁকিপূর্ণ পানছড়িতে বিজিবির জনকল্যাণ কার্যক্রম জোরদার—শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তা পেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে জব্দ ১৮ কোটি টাকার মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদক ধ্বংস।

শহীদুল ইসলাম শাহেদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

 

কক্সবাজারে টেকনাফে যৌথ অভিযানে জব্দকৃত প্রায় ১৮ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

 

শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফে এসব মাদক ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

 

তিনি জানান, সরকারের “জিরো টলারেন্স” নীতির অংশ হিসেবে গত বছরের ১৭ মে থেকে ১২ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত কোস্ট গার্ড এককভাবে এবং র‌্যাবের সহযোগিতায় টেকনাফ ও আশপাশের এলাকায় চারটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে মোট ১৮ কোটি ৮ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৬১ হাজার পিস ইয়াবা, ৯৯০ গ্রাম ইয়াবা তৈরির পাউডার, ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং ১০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

 

জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরবর্তীতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কক্সবাজারের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব মাদক ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর তত্ত্বাবধানে, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, মালখানার ইনচার্জ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাদকগুলো ধ্বংস করা হয়। এ সময় অভিযানে অংশগ্রহণকারী র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

 

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘণ্টা টহল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন এলাকায় অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

 

তিনি বলেন, মাদকের ভয়াল আগ্রাসন থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়েমেনের জন্য ১.৯ বিলিয়ন রিয়াল মূল্যের ২৮টি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের প্যাকেজ অফার করেছে সৌদি আরব।

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে জব্দ ১৮ কোটি টাকার মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদক ধ্বংস।

আপডেট টাইমঃ ০৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

শহীদুল ইসলাম শাহেদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

 

কক্সবাজারে টেকনাফে যৌথ অভিযানে জব্দকৃত প্রায় ১৮ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

 

শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফে এসব মাদক ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

 

তিনি জানান, সরকারের “জিরো টলারেন্স” নীতির অংশ হিসেবে গত বছরের ১৭ মে থেকে ১২ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত কোস্ট গার্ড এককভাবে এবং র‌্যাবের সহযোগিতায় টেকনাফ ও আশপাশের এলাকায় চারটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে মোট ১৮ কোটি ৮ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৬১ হাজার পিস ইয়াবা, ৯৯০ গ্রাম ইয়াবা তৈরির পাউডার, ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং ১০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

 

জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরবর্তীতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কক্সবাজারের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব মাদক ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর তত্ত্বাবধানে, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, মালখানার ইনচার্জ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাদকগুলো ধ্বংস করা হয়। এ সময় অভিযানে অংশগ্রহণকারী র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

 

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘণ্টা টহল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন এলাকায় অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

 

তিনি বলেন, মাদকের ভয়াল আগ্রাসন থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।