ঢাকা , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ইমামের উপর হামলার প্রতিবাদে জামতলা মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। দিনশেষে ঠিকানা সাড়ে ৩ হাত মাটি, দুর্নীতিবাজ ও চোরাকারবারিদের হুঁশিয়ারি ডেপুটি স্পিকারের নাজিরপুরে কিশোরী ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি হজের মাস হাসানপুর বাউল গান বন্ধে থানায় অভিযোগ, গান হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা। শাল্লায় সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২, এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ মদনে কুরবানীর পশুর চামড়া সংরক্ষণে লবন দেওয়া নিশ্চিতকরণে আনসার ও ভিডিপির প্রশংসনীয় উদ্যোগ। ‎ক্ষমতা নয়, সেবা” লুনেশ্বর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুবেল মিয়ার ৮৩ দফা প্রতিশ্রুতি ‎ পানছড়িতে অর্ধশতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে বিজিবির ঈদ উপহার প্রদান মদন উপজেলা বাসীকে ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউএনও নাদির হোসেন শামীম। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব,ময়মনসিংহ বিভাগের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা 

গুইমারায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়া পাড়ায় হাজ্বী ইসমাইল মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে ১৯টি দোকান। শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত দুইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ মার্কেটের একটি অংশ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে গোটা বাজারজুড়ে শুরু হয় চিৎকার-চেঁচামেচি। চোখের পলকে আগুনে ভস্মীভূত হয় ব্যবসায়ীদের বছরের পর বছর পরিশ্রমের ফসল, জীবনের সঞ্চয় আর স্বপ্ন।

গুইমারা উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় রামগড় ও মাটিরাঙ্গা থেকে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লাগে। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘ সময় লাগে। পরে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

 

ফায়ার সার্ভিস ও দোকানমালিকদের প্রাথমিক ধারণা, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে বাজারের একটি গাড়ির ওয়ার্কশপ, কয়েল কিংবা সিগারেটের আগুন থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে ছিল তেলের দোকান, মোটর গ্যারেজ, হোটেল, ফার্নিচার ও কনফেকশনারি।

 

ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা হতে পারে।

 

ঘটনার খবর পেয়ে সিন্দুকছড়ি সেনা জোন অধিনায়ক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, “সৌভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।”

 

পাহাড়ের বর্তমান সংবেদনশীল পরিস্থিতির মধ্যে গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ইমামের উপর হামলার প্রতিবাদে জামতলা মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

গুইমারায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই

আপডেট টাইমঃ ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

 

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়া পাড়ায় হাজ্বী ইসমাইল মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে ১৯টি দোকান। শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত দুইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ মার্কেটের একটি অংশ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে গোটা বাজারজুড়ে শুরু হয় চিৎকার-চেঁচামেচি। চোখের পলকে আগুনে ভস্মীভূত হয় ব্যবসায়ীদের বছরের পর বছর পরিশ্রমের ফসল, জীবনের সঞ্চয় আর স্বপ্ন।

গুইমারা উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় রামগড় ও মাটিরাঙ্গা থেকে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লাগে। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘ সময় লাগে। পরে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

 

ফায়ার সার্ভিস ও দোকানমালিকদের প্রাথমিক ধারণা, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে বাজারের একটি গাড়ির ওয়ার্কশপ, কয়েল কিংবা সিগারেটের আগুন থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে ছিল তেলের দোকান, মোটর গ্যারেজ, হোটেল, ফার্নিচার ও কনফেকশনারি।

 

ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা হতে পারে।

 

ঘটনার খবর পেয়ে সিন্দুকছড়ি সেনা জোন অধিনায়ক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, “সৌভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।”

 

পাহাড়ের বর্তমান সংবেদনশীল পরিস্থিতির মধ্যে গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।